সবচেয়ে বেশি ফুটবলার রপ্তানি করে ব্রাজিল, এরপর কারা
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের সময়টা তেমন ভালো যাচ্ছে না। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে দলটি শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে পারবে, এর বিপক্ষে বাজি ধরার লোকও কম নয়। অন্তত বর্তমান ফর্ম বিবেচনায়!
সেই ব্রাজিলই সারা দুনিয়ার ফুটবল লিগগুলোতে এখনো ফুটবলার রপ্তানিতে শীর্ষে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘সিআইইএস ফুটবল অবজারভেটরি’ বিশ্বজুড়ে ১৩৫টি পেশাদার লিগের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লিগে মোট ১,৪৫৫ জন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার খেলছেন। গত বছরও ফুটবলার রপ্তানিতে ব্রাজিল শীর্ষে ছিল। সে বছর বিশ্বের নানা লিগে খেলেছেন ব্রাজিলের ১৪১৮ জন ফুটবলার।
ব্রাজিল শীর্ষে থাকলেও খুব দ্রুত এই ব্যবধান কমিয়ে আনছে ফ্রান্স। বর্তমানে বিদেশে খেলা ফরাসি ফুটবলারের সংখ্যা ১,২৭৫ জন। গত পাঁচ বছরে ফ্রান্সের খেলোয়াড় রপ্তানির হার বেড়েছে ৩৫ শতাংশ।
তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, যাদের ১,০১৬ জন খেলোয়াড় বিদেশের লিগে খেলছেন। গত বছরও এই তিন দলই ছিল ফুটবলার রপ্তানিতে তালিকার শীর্ষে। তবে এই তিন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮৬ জন ফুটবলার রপ্তানি এ বছর বেড়েছে ফ্রান্সের।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলোয়াড় পাঠানোর তালিকায় উন্নতি করেছে পর্তুগাল, স্পেন ও নাইজেরিয়াও। গত কয়েক বছরে পর্তুগালের খেলোয়াড় রপ্তানি বেড়েছে ৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে স্পেন ও নাইজেরিয়া—উভয় দেশেরই বৃদ্ধি হয়েছে ৬০ শতাংশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ব ফুটবলের বাজার এখন অনেক বেশি উন্মুক্ত। ২০২১ সাল থেকে ফুটবলার রপ্তানি করা শীর্ষ ৫০টি দেশের মধ্যে মাত্র ৯টি দেশের খেলোয়াড় বিদেশে যাওয়ার হার কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে সার্বিয়ার। ২০২১ সালের তুলনায় তাদের খেলোয়াড় রপ্তানি ১২ শতাংশ কমে গেছে।
সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় রপ্তানি করা দেশ ব্রাজিলের ফুটবলারদের প্রধান গন্তব্য পর্তুগালের লিগগুলো। এর বড় কারণ হতে পারে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মিল। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতার পর তাদের খেলোয়াড়দের চাহিদাও বিশ্ববাজারে বেড়ে গেছে।