ম্যাচের শেষ মুহূর্তে করা রোনালদোর গোলটি গত রাতে ইউরোপা লিগে শেরিফ তিরাসপোলের বিপক্ষে। গত সপ্তাহে কোচ এরিক টেন হাগের নির্দেশনা অমান্য করে টটেনহামের বিপক্ষে বদলি নামতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মাঠ ছেড়ে গিয়েছিলেন।

শাস্তি হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে চেলসি ম্যাচের স্কোয়াডে রাখা হয়নি তাঁকে। সাজা শেষে রোনালদো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাদশে ফেরেন শেরিফ ম্যাচে। তা–ও আবার শুরুর একাদশে।

রোনালদোর গোলের আগেই অবশ্য ম্যাচজয়ের রসদ পেয়ে গিয়েছিল ইউনাইটেড। ৪৪ মিনিটে দিওগো দালত আর ৬৫ মিনিটে মার্কাস রাসফোর্ড দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। রোনালদোর গোলসহ শেষ পর্যন্ত শেরিফের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড।

এ জয়ে ইউরোপা লিগের ‘ই’ গ্রুপ থেকে নকআউট রাউন্ড প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে টেন হাগের দল। আগামী সপ্তাহে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে শেষ ষোলোও নিশ্চিত হয়ে যাবে।

বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্টের পর রোনালদো যে গোলটি করেছেন, সেটিও ছিল নাটকীয়। ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেড নিয়েছিলেন তিনি। শেরিফ গোলরক্ষক ম্যাকসিম কোভাল সেটি প্রতিহত করেন। তবে বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি কোভাল।

ফিরতি বল পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি রোনালদো। গোলের পর দর্শকদের সামনে ছুটে যান তিনি, এরপর বুকে দুই হাত রেখে চোখ বন্ধ করে নিশ্বাস নেওয়ার ভঙ্গিমা দেখান তিনি। উদ্‌যাপনে বোঝালেন, এ গোল স্বস্তির নিশ্বাস ফেলা গোল।

রোনালদোর মতো স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন টেন হাগও। ম্যাচ শেষে ইউনাইটেড কোচ রোনালদোর প্রশংসাই করলেন, ‘সে নিজেকে সঠিক জায়গাতেই রাখছিল। হাল ছাড়েনি। এটা আসলে ওর পুরো ক্যারিয়ারেরই চিত্র। শেষ পর্যন্ত হাল না ছাড়ার পুরস্কার পেয়েছে সে।’

ক্লাব ক্যারিয়ারের ৭০১তম গোল করা রোনালদো সামনে আরও গোল করবেন বলেও আশাবাদী টেন হাগ, ‘ওর গোল পাওয়াটা দরকার ছিল। এখন আমি আত্মবিশ্বাসী যে সামনে সে আরও গোল করবে।’