স্টামফোর্ড ব্রিজে এদিন শুরু থেকেই চেলসির ওপর ছড়ি ঘোরাতে শুরু করে আর্সেনাল। প্রথমার্ধের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করছিল তারা। তবে বেন হোয়াইট সেই সুযোগ শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারেননি। আর্সেনাল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিলেও চেলসি চেষ্টা করছিল লড়াইয়ে ফিরতে। আর্সেনাল বক্সে একাধিকবার ক্রস করে গোল আদায়ের চেষ্টা করছিল তারা। যদিও তা সাফল্য পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

এ সময় আর্সেনাল চেষ্টা করছিল ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে গিয়ে চেলসির রক্ষণে চাপ তৈরি করতে। ১৯ মিনিটে থিয়াগো সিলভার দুর্দান্ত রক্ষণের কারণে বেঁচে যায় চেলসি। প্রেসিং ফুটবলে আর্সেনাল চেষ্টা করছিল হুমকি তৈরির। তবে চেষ্টা করেও দেখা মেলেনি কোনো গোলের।

প্রথমার্ধে চেলসির আক্রমণভাগকে একরকম চুপ করিয়ে রেখেছিল আর্সেনালের রক্ষণভাগ। পুরোনো ক্লাবের বিপক্ষে ৪৫ মিনিটে মাত্র ৪ বার বল স্পর্শ করতে পেরেছিলেন পিয়েরে এমেরিক-অবামেয়াং। আর প্রথমার্ধের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করেন আর্সেনালের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস। হেডে গোল করার সুযোগ পেলেও সেটি বাইরে মেরে দলকে হতাশ করেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার।

শুধু এ সুযোগই নয়, ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে একাধিকবার দলকে এগিয়ে দিতে পারতেন জেসুস। শেষ পর্যন্ত চেলসির রক্ষণ ভাঙতে পারেননি তিনি। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে অবশ্য প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারত আর্সেনাল। প্রথমার্ধে অবশ্য চেলসিও একেবারে কোণঠাসা হয়ে ছিল, এমন নয়। তারা কয়েকবার চাপে ফেলেছিল আর্সেনালকে। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আর আসেনি।

প্রথমার্ধের চেয়ে দ্বিতীয়ার্ধেই বেশি দাপট দেখিয়েছে মিকেল আরতেতার আর্সেনাল। প্রথমার্ধে না পারলেও এই অর্ধে ঠিকই গোল আদায় করে নেয় তারা। ৬৩ মিনিটে গ্যাব্রিয়েলের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল।

বুকায়ো সাকার কর্নারে পোস্টের কাছাকাছি জায়গা থেকে লক্ষ্যভেদ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার। এগিয়ে গিয়ে আক্রমণের ধার কমায়নি আর্সেনাল। চেলসিও মরিয়া চেষ্টা করেছিল আক্রমণে গিয়ে গোল করার। তবে শেষ পর্যন্ত কেউ আর গোলের দেখা পায়নি। স্টামফোর্ড ব্রিজ থেকে জয়ের আনন্দ নিয়েই শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে আর্সেনাল।