কিন্তু এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষায় লাভ হয়নি কিছুই। প্রথম ১০-১২ মিনিটেই শুধু মনে হচ্ছিল, হয়তো নতুন ইউনাইটেডকে দেখা যাবে এই মৌসুমে। কিন্তু এরপরের সময়টা সেই ভুল ভাঙিয়ে দিল টেন হাগের দল। এলোমেলো রক্ষণভাগ, মাঝমাঠ বলতে কিছু ছিল বলেও মনে হয়নি। ওদিকে ৩০ ও ৩৯ মিনিটে দারুণ দুটি গোল করে ব্রাইটনকে এগিয়ে দেন জার্মান মিডফিল্ডার প্যাসকাল গ্রস। ওই দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে গেছে ইউনাইটেড।

রোনালদো বদলি নেমেছেন ৫৩ মিনিটে। ইউনাইটেড দু-একটা গোলের সুযোগও পেয়েছে এর পরেই। ৬০ মিনিটে একেবারে গোলবারের সামনে থেকে নেওয়া রাশফোর্ডের শট ঠেকিয়ে দেন ব্রাইটন গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজ। মিনিট ছয়েক পরে এরিকসেনের একটা শটও সানচেজ ঠেকিয়ে দেন কর্নারের বিনিময়ে।

default-image

ইউনাইটেড ব্যবধান কমানো গোলটা পায় ওই কর্নার থেকে আসা বলেই। উড়ে আসা বলে লাফিয়ে হাত লাগালেও সেটা বিপৎসীমার বাইরে পাঠাতে পারেননি সানচেজ। জটলার মধ্যে ইউনাইটেড ডিফেন্ডার দালোতের গায়ে লেগে সেটা জালের দিকে যাচ্ছিল। ব্রাইটন মিডফিল্ডার ম্যাক অ্যালিস্টার সেটা বাইরে পাঠাতে গিয়ে জালেই ঠেলে দেন।

আত্মঘাতী ওই গোলটা ছাড়া পুরো ম্যাচে ব্রাইটনই বরং মুগ্ধ করেছে, কী আক্রমণে, কী রক্ষণে! মনেই হয়নি মৌসুমের শুরুর আগে দলটা দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় মার্ক কুকুরেয়া ও ইয়েভেস বিসুওমাকে বিক্রি করে দিয়েছে। লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওল্ড ট্রাফোর্ডে জয় সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন