টাঙ্গাইলে ‘হোম ভেন্যু’ করতে চায় মোহামেডান
২২ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ। ক্লাবগুলোকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভেন্যুর নাম জানাতে সময় দিয়েছিল বাফুফে। কিন্তু মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন সময়মতো তা জানাতে পারেনি। অবশেষে মোহামেডান টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম নেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে বাফুফের কাছে। কিন্তু এখনো চিঠি দেয়নি ফেডারেশনকে। ফরিদপুরের শেখ জামাল স্টেডিয়াম নেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়ে ব্রাদার্স অবশ্য চিঠি দিয়েছে।
ভেন্যু চূড়ান্ত হবে বাফুফের অনুমোদনের পরই। ফরিদপুর স্টেডিয়াম এখনো পরিদর্শন করেনি বাফুফে। টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম একবার পরিদর্শন করলেও আরেকবার দেখবে ফেডারেশন। তবে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে ক্রিকেট পিচ তুলে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে বাফুফে। টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মীর্জা মঈনুল হোসেন অবশ্য প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, স্টেডিয়ামে তিনটি ক্রিকেট পিচ থাকলেও ফুটবল মাঠে একটি পিচ পড়বে। সেটি ব্যবহার হয় না খুব একটা। ফলে পিচটা তুলে ফেললে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।
মোহামেডানের গত তিন বছর কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামকে হোম ভেন্যু করেছিল। কিন্তু সেখানে এবার স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট থাকায় সেটি আর থাকছে না। বিকল্প হিসেবে নোয়াখালী, মাদারীপুর ও টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম দেখেছে সাদাকালোরা। কিন্তু সব স্টেডিয়ামেই নানা সমস্যা। মোহামেডানের ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব বলেছেন, ‘ঢাকার বাইরে কোনো মাঠই ঠিক নেই। তবু মন্দের ভালো হিসেবে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম নিতে চাই। কিন্তু মাঠ, ড্রেসিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ বাফুফেকে করে দিতে হবে।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১০ দলের মধ্যে বাকি ৮ দলের ভেন্যু চূড়ান্ত হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও শেখ রাসেলের ভেন্যু বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা। ঢাকা আবাহনী লিমিটেড ও শেখ জামাল ধানমন্ডির গোপালগঞ্জ। চট্টগ্রাম আবাহনী ও রহমতগঞ্জের মুন্সিগঞ্জ। বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহ ও ফর্টিস এফসির ভেন্যু রাজশাহী।