এজেন্টদের গোপনে টাকা দিয়ে ১৬৫ কোটি টাকা জরিমানা চেলসির
২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এজেন্টদের অর্থ প্রদানের নিয়মনীতি ভঙ্গের দায়ে চেলসিকে জরিমানা করেছে দ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটিকে ১ কোটি পাউন্ড (প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা) জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী দুটি ট্রান্সফার উইন্ডোতে নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধনের ওপর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
তবে শাস্তির অংশ হিসেবে চেলসির ওপর আরোপিত ছয় পয়েন্ট কর্তনের যে স্থগিত আদেশটি ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা ছিল, আবেদনের পর তা বাতিল করা হয়েছে।
২০২২ সালে চেলসির মালিকানা গ্রহণের পর নতুন মালিক টড বোয়েলি ও ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটাল স্বপ্রণোদিত হয়ে এফএর কাছে বিধি লঙ্ঘনের মোট ৭৪টি ঘটনার তথ্য জানায়। ক্লাবটি স্বীকার করেছে, ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে খেলোয়াড়দের দলবদলের ক্ষেত্রে অনিবন্ধিত এজেন্ট ও তৃতীয় পক্ষকে গোপনে মোট ৪ কোটি ৭০ লাখ (৪৭ মিলিয়ন) পাউন্ড অর্থ প্রদান করা হয়েছিল।
এফএ জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে তাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া জরিমানা হিসেবে প্রাপ্ত ১ কোটি পাউন্ড তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবলের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
এর আগে গত মার্চে একাডেমির খেলোয়াড় নিবন্ধনে অনিয়মের দায়ে চেলসিকে ৯ মাসের একাডেমি ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছিল।
এসব অনিয়মের ঘটনাই ঘটেছে চেলসির সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের আমলে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে যুক্তরাজ্য সরকার আব্রামোভিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যদিও পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন আব্রামোভিচ।
পরবর্তী সময়ে চেলসি বিক্রি করে তিনি নিজে কোনোভাবে লাভবান হবেন না—এ শর্ত পূরণের প্রমাণ সাপেক্ষে তাঁকে ক্লাবটি বিক্রির বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়।