শুধু পিকে নয়, লাল কার্ড দেখেছেন বার্সার স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কিও। ম্যাচের ৩০ মিনিটে ওসাসুনার সেন্টারব্যাক ডেভিড গার্সিয়াকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পোলিশ তারকা। বেঞ্চে বসে থাকা পিকে মনে মনে রেফারি গিল মানজানোর ওপর রাগ পুষে রেখেছিলেন।

প্রথমার্ধ শেষে রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, ‘কাকে লাল কার্ড দেখালে সেটা জানো’—রেফারিকে এই কথা বলার পাশাপাশি লেখার অযোগ্য ভাষায় বাজে কথাও বলেছেন ৩৫ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার।

রেফারি তৎক্ষণাৎ তাঁকে লাল কার্ড দেখানোয় ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে আর মাঠে নামা হয়নি পিকের। তবে বার্সার হয়ে শেষ ম্যাচটা জিতেছেন, তা বলতে পারবেন। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ওসাসুনার মাঠ থেকে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ৫ পয়েন্ট ব্যবধানে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বার্সা।

ম্যাচের ৬ মিনিটে ডেভিড গার্সিয়ার গোলে এগিয়ে যায় ওসাসুনা। প্রথমার্ধে বার্সা আর এই গোল পরিশোধ করতে পারেনি। বিরতির পর ৪৮ মিনিটে পেদ্রি ও ৮৫ মিনিটে রাফিনিয়ার গোলে জয় তুলে নেয় জাভি হার্নান্দেজের দল। লা লিগায় এই প্রথম প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথমার্ধ শেষে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিল বার্সা।

পিকেকে বদলি হিসেবে মাঠে নামাতে চেয়েছিলেন জাভি। ম্যাচ শেষে বার্সার এই কোচ বলেছেন, ‘পিকেকে নামানো হতো। কারণ আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসেন পুরো ফিট নয় এবং এরিক গার্সিয়াও ব্যথা অনুভব করছে। এ কারণে পিকেকে খেলানোর কথা ভেবেছিলাম আমরা। কিন্তু বিরতির সময় ওরা তাকে লাল কার্ড দেখিয়েছে। সে মুহূর্তের উত্তেজনায় ঘটনাটা ঘটেছে। তবে জেরার্ডের প্রতিক্রিয়ার সুবিচার পাইনি আমরা।’

উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের জন্য জাভি নিজেও হলুদ কার্ড দেখেন। লেভার ক্যারিয়ারে এটি দ্বিতীয় লাল কার্ড। প্রথমটি দেখেছিলেন ২০১৩ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে থাকতে। আর পিকের ৬১৬ ম্যাচের বার্সা ক্যারিয়ারে এটি ১১তম লাল কার্ড।

ক্লাব ছাড়ার আগে বার্সার ১২৩ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখার রেকর্ডে ভাগও বসিয়েছেন পিকে। তাঁর আগে ১১ বার লাল কার্ড দেখেছেন বার্সার সাবেক স্ট্রাইকার রিস্টো স্টয়চকভ। ৯ বার লাল কার্ড দেখেছেন পেপ গার্দিওলা।