লেভার পেনাল্টি মিসের আগে বা পরে বলার মতো খুব বেশি ঘটনা এ ম্যাচে ঘটেনি। প্রথমার্ধে বেশির ভাগ সময়ই দুই দল এলোমেলো আর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেছে। প্রথমার্ধে দুই দল মিলিয়ে গোলের ভালো সুযোগ একটাই তৈরি করতে পেরেছে। সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর হোর্হে সানচেজ। তাঁর গতিময় শটটি পোল্যান্ডের গোলকিপার ভয়চেক সেজনিতে পরাস্ত করলেও চলে যায় বারের ওপর দিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই অবশ্য আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে সেটা রক্ষণটা ঠিক রেখেই। আক্রমণ করার দিক থেকে অবশ্য এগিয়ে ছিল নিজেদের সর্বশেষ আটটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলা মেক্সিকো। কিন্তু পোলিশদের রক্ষণ দেয়ালে খুব একটা ফাটল ধরাতে পারেনি। তাদের বেশির ভাগ আক্রমণই মুখ থুবড়ে পড়েছে অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে। যে কবার পোল্যান্ডের রক্ষণ দেয়াল পেরিয়ে আরও ভেতরে যেতে পেরেছে, তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন সেজনি।

মেক্সিকোর আক্রমণ সামলে পাল্টা আক্রমণে উঠেছে পোল্যান্ডও। কিন্তু বার্সেলোনার স্ট্রাইকার লেভানডফস্কি ক্লাবের গোলের ধারাটা বিশ্বকাপে নিয়ে আসতে পারেননি। এমনকি মেক্সিকোর গোলকিপার ওচোয়ার বড় কোনো পরীক্ষাও নিতে পারেননি তিনি। তাই তো বিশ্বকাপে এর আগে দুই দলের একমাত্র সাক্ষাতের ফলটা আর ফিরিয়ে আনতে পারেননি। ১৯৭৮ বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল পোল্যান্ড।

মেক্সিকো-পোল্যান্ডের এই ড্রয়ে আর্জেন্টিনার দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দেবে। সৌদি আরবের কাছে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে হেরে যাওয়া লিওনেল মেসিদের এখন পরের রাউন্ডে যেতে হলে পরের দুটি ম্যাচই জেতা ছাড়া বিকল্প খুব কম। আর আর্জেন্টিনার পরের দুটি ম্যাচ যে আজকের ম্যাচে ড্র করা পোল্যান্ড আর মেক্সিকোর বিপক্ষেই।