বিষয়টি নিশ্চিত করে সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক জানিয়েছেন, ‘ভারত ফুটবল ফেডারেশন আমাদের সাফ পেছাতে অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছে। ওদের ১০-১২ জন মেয়ে খেলছে এএফসি ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে। উজবেকিস্তান থেকে খেলা শেষে ভারতে ফিরেই ওরা নেপালে যেতে পারবে না। এ জন্য দুই সপ্তাহ খেলা পেছাতে অনুরোধ করেছিল। আমরা এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৬ সেপ্টেম্বর প্রতিযোগিতা শুরু করতে চাই।’

default-image

গত পাঁচ আসরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি ২০১৬ সালে। ভারতের শিলিগুড়িতে হওয়া সেই আসরে বাংলাদেশ হয়েছিল রানার্সআপ। ফাইনালে ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিলেন সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকাররা। কিন্তু ২০১৯ সালে নেপালের বিরাটনগরে অনুষ্ঠিত সাফের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। সেবার অবশ্য ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান খেলতে পারেনি।

নেপালে সর্বশেষ এই সাফ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ছয় দেশ নিয়ে। তবে এবার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপ—সাত দেশ নিয়ে হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ।

ষষ্ঠ সাফ সামনে রেখে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এরই মধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। গত ২৩ ও ২৬ জুন ঢাকায় কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে গোলাম রব্বানীর দল। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৬-০ গোলে হারিয়েছিল মালয়েশিয়াকে। পরের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করেন মারিয়া মান্দা, মণিকা চাকমারা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন