তবে সব শঙ্কা কাটিয়ে দিবালা দ্রুতই সেরে উঠেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২২ নভেম্বর আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ-অভিযান শুরুর আগেই ম্যাচ ফিট হয়ে ওঠার কথা তাঁর। দি মারিয়ার সঙ্গে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে আছেন তিনিও।

গত বছরের কোপা আমেরিকা জিতে ২৮ বছরের শিরোপা-খরা কাটানো আর্জেন্টিনা এরপর ইতালিকে হারিয়ে জিতেছে লা ফিনালিসিমা। এই সাফল্যের পথ ধরে মেসি তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় আক্ষেপটি কাটাতে চান কাতার বিশ্বকাপ জিতে। ফুটবল বিশ্বে অনেকেই মনে করেন, মেসির নেতৃত্বে এগিয়ে চলা প্রতিভায় ঠাসা দলটির সেই সম্ভাবনা যথেষ্টই আছে।

গোলবারের নিচে কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসামায় আস্থার প্রতিদান দিয়ে আসা মার্তিনেজই স্কালোনির মূল ভরসা। তাঁর বদলি হিসেবে আর্জেন্টিনা কোচ দলে নিয়েছেন হেরোনিমো রুলি ও ফ্রাঙ্কো আরমানিকে। ভিয়ারিয়ালের গোলবারের নিচে রুলি আর আর রিভার প্লেটের হয়ে আরমানি অনেক দিন ধরেই দুর্দান্ত খেলছেন। রক্ষণে যে ৯ খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রেখেছেন স্কালোনি, তাঁদের মধ্যে সর্বশেষ সদস্য হিসেবে সুযোগ পাওয়া হুয়ান ফইথও ভিয়ালের হয়ে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন।

রদ্রিগো দি পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস মাকআলিস্তার, গিদো রদ্রিগেজ, এনসো ফার্নান্দেজ, এসেকিয়েল পালাসিওস...আর্জেন্টিনার মাঝমাঠেও প্রতিভার কমতি নেই। তবে এর মধ্যেও একজনকে খুব মিস করবেন স্কালোনি। চোটের কারণে জিওভান্নি লো সেলসো যে নেই এবারের বিশ্বকাপে। কদিন আগেই তাঁর মাংসপেশির অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে।

এরপর বাকি থাকে আক্রমণভাগ। মেসির নেতৃত্বে সেখানে দিবালা আর দি মারিয়া খেলতে পারায় এ জায়গাটা পরিপূর্ণই বলতে হবে। এই তিনজনকে সমর্থন দিয়ে যাওয়ার জন্য আছেন লাওতারো মার্তিনেজ-হোয়াকিন কোরয়োর মতো ফরোয়ার্ডরা।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল

গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা), হেরোনিমো রুলি (ভিয়ারিয়াল), ফ্রাঙ্কো আরমানি (রিভার প্লেট)।

ডিফেন্ডার: নাহুয়েল মলিনা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), গনসালো মনতিয়েল (সেভিয়া), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (টটেনহাম), জার্মান পেৎসেয়া (রিয়াল বেতিস), নিকোলাস ওতামেন্দি (বেনফিকা), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), মার্কোস আকুনা (সেভিয়া), নিকোলাস তালিয়াফিকো (অলিম্পিক লিওঁ), হুয়ান ফইথ (ভিয়ারিয়াল)।

মিডফিল্ডার: রদ্রিগো দি পল (আতলেতিকো মাদ্রিদ), লিয়ান্দ্রো পারেদেস (জুভেন্টাস), আলেক্সিস মাকআলিস্তার (ব্রাইটন), গিদো রদ্রিগেজ (রিয়াল বেতিস), আলেহান্দ্রো গোমেজ (সেভিয়া), এনসো ফার্নান্দেজ (বেনফিকা), এসেকিয়েল পালাসিওস (বায়ার লেভারকুসেন)।

ফরোয়ার্ড: আনহেল দি মারিয়া (জুভেন্টাস), লাওতারো মার্তিনেজ (ইন্টার মিলান), হুলিয়ান আলভারেজ (ম্যানচেস্টার সিটি), পাওলো দিবালা (রোমা), নিকোলাস গনসালেস (ফিওরেন্তিনা), হোয়াকিন কোরেয়া (ইন্টার মিলান), লিওনেল মেসি (পিএসজি)।