৭ গোল হজম করেও যেভাবে ‘স্বপ্নপূরণ’ হলো কুরাসাও গোলরক্ষকের
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৮৬ নম্বরে নম্বরে থাকলেও কুরাসাও খুব একটা পরিচিত দল নয়। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচের সূচি নির্ধারিত হওয়ার পর থেকেই মূলত আলোচনায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষের ৪৪৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটি। মেসিদের বিপক্ষে খেলা নিয়ে রোমাঞ্চিত ছিল দেশটির খেলোয়াড়েরাও। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাছে ৭ গোল হজম করার পরও সেই রোমাঞ্চ একটুও কমেনি তাদের।
আর্জেন্টিনা–কুরাসাও ম্যাচে সবচেয়ে বড় ঝড়টা গেছে কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক ইলয় রোমের ওপর। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এক শ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার পথে তাঁকে ফাঁকি দিয়ে বিরতির আগেই তিনবার বল জালে পাঠান মেসি। সব মিলিয়ে বিরতিতে যাওয়ার রোম গোল হজম করেছেন ৫টি, আর ম্যাচ শেষে সংখ্যাটি ছিল ৭।
এতগুলো গোল হজম করেও ম্যাচের পর সবচেয়ে আনন্দিত মানুষটিও রোম। ৭ গোল খেয়েও কোনো গোলরক্ষক এর আগে এত খুশি হয়েছিলেন কি না, সে প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ। তাঁর এমন আনন্দের কারণও অবশ্য আছে। মেসির বিপক্ষে খেলার আনন্দ তো ছিলই, পাশাপাশি খেলা শেষে মেসির জার্সিটিও যে তিনি পেয়েছেন।
আর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি পেয়ে কুরাসাওয়ের এই গোলরক্ষক ভুলে গেছেন ৭ গোল হজম করার যন্ত্রণাও। বরং এই মুহূর্তটি তাঁর কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতোই।
ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোম বলেছেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য, স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার। আমরা সবাই মেসির ভক্ত। এখন আমি তার বিপক্ষে খেলেছি।’
মেসির কাছ থেকে ৩ গোল হজম করলেও খুব একটা হতাশ নন কুরাসাও গোলরক্ষক। বরং কয়েকট গোল সেভ করতে পারার আনন্দই তাঁর মাঝে বেশি, ‘সময়টা কঠিন ছিল। সে (মেসি) আমার বিরুদ্ধে গোল করেছে। তবে তার কিছু শটও আমি ঠেকিয়েছি। পরে সেও আমাকে বলেছে যে আমি কিছু ভালো সেভ করেছি। এটা আমার কাছে অনেক কিছু।’