ম্যাচের শুরু থেকেই রিযালকে চাপে রাখা ভায়েকানো পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায়। ম্যাচের প্রথম আক্রমণ থেকেই গোল পেয়ে যায় তারা। দুর্দান্ত এক ভলিতে ভায়েকানোকে এগিয়ে দেন সান্তি কমেসানা। ৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত তারা। কিন্তু অস্কার ভালেন্তিনের শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

ঘরের মাঠে রিয়ালকে একপ্রকার কোণঠাসাই করে ফেলে ভায়েকােনো। আনচেলত্তির দল যুতসই কোনো আক্রমণও করতে পারছিল না। এর মধ্যেই রিয়াল সমতায় ফেরার সুযোগ পায় পেনাল্টি পেলে। বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন রিয়ালের মার্কো আসেনসিও। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনালটির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ৩৭ মিনিটে পেনাল্টি গোলে রিয়ালকে সমতায় ফেরান লুকা মদরিচ। ৪১ মিনিটে আসেনসিওর কর্নার থেকে অসাধারণ এক হেডে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এদের মিলিতাও।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তেই আবার সমতায় ফেরে ভায়েকানো। ৪৪তম মিনিটে তাদের সমতায় ফেরানো গোলটি করেন আলভারো গার্সিয়া। সমতা নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করা রিয়াল দ্বিতীয়ার্ধেও খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারেনি। ৬৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে দানি কারভাহালের হাতে বল লাগে। পেনাল্টির আবেদন করেন ভায়েকানোর খেলোয়াড়েরা। ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ৬৭ মিনিটে নেওয়া পেনাল্টি থেকে ভায়েকানোর জয়সূচক গোলটি করেন অস্কার ত্রেহো।

এখানেও অবশ্য কিছুটা নাটক ছিল। প্রথমে ত্রেহোর শট ঠেকিয়ে দেন রিয়ালের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু ত্রেহো স্পট-কিকটি নেওয়ার আগেই বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন কারভাহাল। এ কারণে আবার শট নেওয়ার সুযোগস পান ত্রেহো। দ্বিতীয়বার নেওয়া শট থেকে গোল করেন তিনি।

এরপর দু-একটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি রিয়াল। এই হারের পর ১৩ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে রিয়াল। সমান ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা।