ব্রাজিলকে ২০০২ বিশ্বকাপ জেতানো সাবেক এই রাইটব্যাক চার দিনের সফরে ভারতে আছেন। দেশটির টেনিস কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজদের নিয়ে একটি ‘অলস্টার’ প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবেন কাফু। এ ছাড়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে অংশ নেবেন দাতব্য কাজেও।

ইতালিয়ান সিরি ‘আ’তে রোমা ও এসি মিলানে সোনালি সময় কাটানো কাফুকে বিবেচনা করা হয় দেশটির শীর্ষ লিগে সর্বকালের সেরা ফুলব্যাকদের একজন হিসেবে। তাঁর হাত ধরেই ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল। এর পর থেকেই বিশ্বকাপে চলছে ইউরোপিয়ানদের আধিপত্য। ২০০৬ সালে ইতালি, ২০১০ সালে স্পেন, ২০১৪ সালে জার্মানি এবং ২০১৮ সালে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন হয়।

এবার ব্রাজিলের সম্ভাবনা কেমন? নেইমার ছাড়াও দলে ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো, কাসেমিরো, রিচার্লিসনদের মতো তারকারা আছেন।

সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে কাফু বলেছেন, ‘ব্রাজিল এখন আর শুধু নেইমারের ওপর নির্ভরশীল নয়, বিশেষ করে এই বছর। ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো, রিচার্লিসন ও লুকাস পাকেতার মতো খেলোয়াড় আছে দলে। তারাও ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতাতে সক্ষম। আর তাই চার বছর আগে শুধু নেইমারের ওপর নির্ভর করার পরিস্থিতিটা বদলে গেছে। চার বছর আগে এই প্রশ্ন করা হলে বলতাম, ব্রাজিল শুধু নেইমারের দিকেই তাকিয়ে আছে।’

২০ নভেম্বর শুরু হবে কাতার বিশ্বকাপ। ‘জি’ গ্রুপ থেকে সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড ও ক্যামেরুনের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। ২৪ নভেম্বর সার্বিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের অভিযান শুরু করবে তিতের দল।

কাফু মনে করেন, নভেম্বরে কাতারে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ায় খেলোয়াড়দেরই লাভ হচ্ছে। বিশ্বকাপ সাধারণত জুনে অনুষ্ঠিত হয়। ঘরোয়া লিগের মৌসুম তখন মাত্রই শেষ হয় বলে খেলোয়াড়েরা ক্লান্ত থাকেন, ‘নভেম্বরে বিশ্বকাপটা আকর্ষণীয় হবে। কারণ, জুনে খেলোয়াড়েরা বেশি ক্লান্ত থাকে। এবার লিগ শুরু হওয়ায় খেলোয়াড়েরা সতেজ থেকেই বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে।’

কাফু বরাবরের মতোই আশা করলেন, ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ জিতবে। তবে হাল আমলের ফুটবলে রক্ষণভাগের মান পড়ে যাওয়ায় হতাশ ৫২ বছর বয়সী সাবেক এই ফুটবলার, ‘মালদিনি ও নেস্তার সঙ্গে খেলতে পেরেছি। এখন কোনো ভালো ফুলব্যাক দেখি না, খারাপ লাগে। সম্ভবত মানটা পড়ে গেছে।’