মোরছালিনের সুযোগ নষ্টের পর কুয়েতকে প্রথমার্ধে আটকে রেখেছে বাংলাদেশ
দুই দলের শক্তির পার্থক্য অনেক। তবে যতটা পার্থক্য, ম্যাচে তার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। কুয়েতের সঙ্গে প্রথমার্ধে ভালোই লড়েছে বাংলাদেশ। চোখে চোখ রেখেছে খেলেছে। নিজেদের সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে কুয়েতকে পাল্টা চ্যালেঞ্জও দিয়েছে। এই অর্ধে কুয়েতকে গোল করতে দেয়নি হাভিয়ের কাবরেরার দল। বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে সাফ ফুটবলের প্রথম সেমিফাইনালের প্রথমার্ধটা গোলশূন্য রাখতে পেরেছেন জামাল ভূঁইয়ারা।
ম্যাচটা অবশ্য স্বপ্নের মতো শুরু করতে পারত বাংলাদেশই। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল পেতে পেতেও পাননি মোরছালিন। ডান দিক থেকে রাকিব বক্সে ঢুকে বল দেন মোরছালিনকে। সামনে ছিল শুধু গোলকিপার। ঠিকঠাক প্লেসিং করতে পারলেই গোল। এমন সুযোগ কি না হাতছাড়া হলো। মোরছালিনের শট লাগল কুয়েতের গোলকিপারের গায়ে। প্রথমার্ধে এটিই সবচেয়ে সহজ সুযোগ।
পরপরই অবশ্য কর্নার থেকে ১-০ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল কুয়েত। কিন্তু গোললাইন থেকে দারুণ সেভ করেন বাংলাদেশ দলের লেফট-ব্যাক ইসা ফয়সাল। ৩০ মিনিটে কুয়েতের আল রশিদির শট বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর রহমান দারুণভাবে আটকেছেন। ফিরতি বল ক্লিয়ার করেন ইসা ফয়সাল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরেকবার বাংলাদেশকে বাঁচিয়েছেন আনিসুর।। প্রথমার্ধে দুবার কুয়েতের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বাংলাদেশের গোলকিপার।
৩১ মিনিটে কুয়েত বদল আনে রক্ষণে। দাস্তি আসেন মাঠে। উইংয়ের দ্রুত গতির রাকিবকে আটকাতে এই বদলটা আনেন কুয়েতের কোচ। উদ্দেশ্য ছিল, আক্রমণেও যেন তিনি ভূমিকা রাখতে পারেন। কিন্তু সেরকম কিছু করতে পারেননি তিনি। বরং ঘর সামলে বাংলাদেশও আক্রমণে উঠেছে। এই অর্ধে সবচেয়ে যেটা উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ রক্ষণে বড় কোনো ভুল করেনি। রক্ষণে তারা মনোযোগ ধরে রেখে খেলতে পেরেছে। তাই গোলের রাস্তাও খুঁজে পায়নি কুয়েত।