গোলটা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন প্রায় পৌনে এক ঘন্টা মেসি-নেইমার-এমবাপ্পেকে আটকে রাখার স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্শেই।

প্রথমার্ধের যোগ হওয়া সময়ের খেলা চলছিল তখন। মাঝ মাঠে স্লাইড করে প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নেন পিএসজি মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তি, তারপর সেটা বাড়িয়ে দেন সতীর্থ ভিতিনার দিকে। বাঁ দিকে বাড়ানো ভিতিনার লম্বা পাস গিয়ে পড়ে একেবারে কিলিয়ান এমবাপ্পের পায়ে।

এমবাপ্পে নিজেই শট নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি ‘নেইমার-মেসিকে পাস দিতে চান না’ এই দুর্নাম ঘুচাতেই কি না, বল বাড়ালেন নেইমারের দিকে। আর নেইমার ছিলেনও একেবারে বক্সের সামনে, এমবাপ্পের চেয়ে একটু ভালো অবস্থানে। গোল করতে ভুল হলো না ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের।

এই মৌসুমেও লিগে ১১ ম্যাচে এটি নেইমারের ৯ নম্বর গোল। করিয়েছেন আরও ৭টি। এমবাপ্পে অবশ্য এই মৌসুমে এই প্রথম কোনো সতীর্থকে দিয়ে গোল করালেন।

গোল অবশ্য এই ম্যাচে পিএসজি পেতে পারত আরও আগেই। কিন্তু ৩৫ মিনিটে লিওনেল মেসির নেওয়া অসাধারণ এক ফ্রি-কিক ফিরে আসে ক্রসবারের নিচের দিকে লেগে।

লিগে এর আগে প্রথমার্ধেই এগিয়ে থাকা সর্বশেষ ৩৫ হারতে হয়নি পিএসজির। হারতে হলো না এদিনও। মার্শেই অবশ্য বিরতির পর চেষ্টা করেছে ছন্দটা পাল্টাতে। কিন্তু পিএসজির গোলবারের নিচে দোন্নারুম্মা ছিলেন অটল। তার উপর ৭২ মিনিটে সেন্টার ব্যাক স্যামুয়েল জিগোত লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায় মার্শেইয়ের জন্য।

অথচ জিগোত এই ম্যাচে বদলি নেমেছিলেন বিরতির ঠিক আগে আগে  এরিক বাইয়ি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায়। এই মৌসুমে লিগে মাত্র ১১ ম্যাচ খেলেছে তাঁর দল, এরই মধ্যে দুইবার লাল কার্ড দেখা হয়ে গেছে জিগোতের। ১০ জনের দল নিয়ে বাকি সময়টা পিএসজির সঙ্গে আর পেরে উঠেনি মার্শেই।