৭ বছর বয়সে সেভিয়ার বয়সভিত্তিক প্রকল্পে যোগ দিয়েছিলেন এবং ২০০২-০৩ মৌসুমে ১৬ বছর বয়সে মূল দলে অভিষেক হয়েছিল সের্হিও রামোসের। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে স্প্যানিশ কোনো ডিফেন্ডারের রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। এরপর পিএসজি ঘুরে ১৮ বছর পর সেভিয়ায় ফিরেছেন রামোস। চুক্তি সই হয়েছিল আগেই; এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আরেকবার দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো ঘরের ছেলেকে।
১ / ৭
আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন রামোসের স্ত্রী স্প্যানিশ অভিনেত্রী ও টেলিভিশন উপস্থাপিকা পিলার রুবিও এবং সন্তানেরা।
এএফপি
২ / ৭
সংবাদ সম্মেলনে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। ‘এটা আমার বাবা, দাদা ও আন্তনিও পুয়ের্তার জন্য’—এর আগে চুক্তি সই করার পর বলেছিলেন তিনি। পুয়ের্তা তাঁর সাবেক সতীর্থ, ২০০৭ সালে যিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান।
এএফপি
৩ / ৭
সংবাদ সম্মেলনে আরেকবার রামোসের হাতে ৪ নম্বর জার্সি। সঙ্গে ছিলেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট। রামোসকে ফিরিয়ে আনার পর আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সেভিয়া বলেছিল, ‘১৯ বছর বয়সে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিতে ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার প্রায় দুই দশক পর আমাদের একাডেমির সেন্টার ব্যাক ফিরলেন।’
এএফপি
৪ / ৭
সংবাদ সম্মেলনের পর সেভিয়ার মাঠ রামোন সানচেজ পিজহুয়ান স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় রামোসকে। সেখানেই স্ত্রীকে তাঁর চুমু।
এএফপি
৫ / ৭
দর্শকদের সামনে আরেকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন রামোস। এর আগে রামোস বলেছিলেন, ‘এটি বিশেষ একটি দিন। কারণ, ঘরে ফেরা সব সময় খুব আনন্দের।’
এএফপি
৬ / ৭
সামনে যারা, তাদের এমন বয়সেই সেভিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন। ১৮ বছর পর ফিরে কি শৈশবের স্মৃতিতে ভেসে গেলেন রামোস!
এএফপি
৭ / ৭
পাশে সন্তানেরা, সামনে ফুটবল। সের্হিও রামোসের জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ তো এই ফ্রেমে!
এএফপি