পুরোনো ইতিহাসই কি তবে ফিরে আসছে!
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে এর আগে দুবার দেখা হয়েছিল বার্সেলোনা ও আতলেতিকো মাদ্রিদের, এবারের মতো দুবারই কোয়ার্টার ফাইনালেই। আর সেই দুই দেখাতেই বার্সার পথচলা শেষ আটেই থামিয়ে দিয়েছিল স্বদেশি প্রতিপক্ষ আতলেতিকো। এবারও সম্ভবত তেমন কিছুই হতে যাচ্ছে। আজ ঘরের মাঠে যে আতলেতিকোর কাছে ২–০ গোলে হেরে গেছে অর্ধেকেরও বেশি সময় ১০ জন নিয়ে খেলা বার্সেলোনা। আগামী মঙ্গলবার মাদ্রিদে এই ব্যবধান ঘোচাতে না পারলে বিদায় নেবে হান্সি ফ্লিকের দল।
দিনের আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুলকে পাত্তাই দেয়নি পিএসজি। ঘরের মাঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরাও জিতেছে ২–০ গোলে। গত মৌসুমেই শেষ ষোলোতে দুদলের দেখায় ঘরের মাঠে জিতেছিল প্যারিসের দলটি। এরপর লিভারপুলে হারলেও টাইব্রেকারে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল প্যারিসিয়ানরা।
ন্যু ক্যাম্পে ৪৪ মিনিটে ১০ জনের দল হয়ে যায় বার্সা। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন আতলেতিকোর জুলিয়ানো সিমিওনে। পাউ কুবারসি গোল বাঁচাতে ফাউল করে বসেন। রেফারি প্রথম হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন। পরে ভিএআরের পরামর্শে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে লাল কার্ড দেখান।
পাওয়া ফ্রি কিকে দারুণ এক বাঁকানো শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ। ৭০ মিনিটে আলেকজান্ডার সরলথের গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় আতলেতির।
প্যারিসে ১১ মিনিটে বক্সের ভিতর থেকে কোনাকুনি শটে গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে নেন দিজেরে দুয়ে। ৬৫ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে লিভারপুলের রক্ষণকে তছনছ করে অসাধারণ এক গোল করেন খিচা কাভারাস্কেইয়া। তাঁকে কেন কাভারাডোনা বলা হয়, সেটির স্পষ্ট ছাপ ছিল গোলটিতে।