গত বছর নারী ফুটসালের সেমিফাইনালে সাবিনার দল দিবেহি সিফাইং ৭-৫ গোলে হেরেছিল ওয়ামকো ক্লাবের কাছে। এবার সেমিফাইনালে ওয়ামকোকে ৬-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন সাবিনারা।

এবার একপেশে ফাইনালে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে ফাথিমাথ থিবার গোলে এগিয়ে যায় দিবেহি সিফাইং। ৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন থিবা। ১৫ মিনিটে আমিনাথ জাহিয়ার গোলে স্কোরলাইন ৩-০ হয়। ১৭ মিনিটে সাসিপ্রভা সুখসেনের গোলে ৩-১ করে এমপিএল।

এর পর থেকেই ম্যাচ সাবিনাময়—২১, ২৩, ২৮ ও ৩৩ মিনিটে গোলের উচ্ছ্বাসে ভাসেন সাবিনা। ৩২ মিনিটে আরেকটি গোল করেন মরিয়ম রিফা। ৩৮ মিনিটে সাসিপ্রভা সুখসেন করেন এমপিএলের দ্বিতীয় গোল। খেলা শেষ হওয়ার মিনিটখানেক আগে দিবেহি সিফাইংয়ের আরেকটি গোল করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জাপানি ফুটবলার মাতসুশিমা সুমাইয়া।

মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে রয়েছে প্রচুর বাংলাদেশি। শুধু সাবিনার খেলা দেখতেই তাঁরা মাঠে আসেন। যখনই সাবিনার পায়ে বল যায়, ‘সাবিনা, সাবিনা’ বলে চীৎকার করেন। পঞ্চমবারের মতো মালদ্বীপে ফুটবল খেলতে যাওয়া সাবিনা এই ভক্ত-সমর্থকদের ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি।

মালদ্বীপের সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘মালদ্বীপে খেলতে এলে সব সময়ই ভালো লাগে। বিশেষ করে এখানে যখন আমার দেশি ভাইদের আমাকে সমর্থন দিতে দেখি, খুবই ভালো লাগে। এই দর্শকদের ভালোবাসা আমাকে আরও ভালো খেলতে সাহায্য করে। আমি অনেক অনুপ্রেরণা পাই। আমার মনে হয়, এটা শুধু আমার একার জন্য নয়, দলের জন্যও খুবই ইতিবাচক একটা ব্যাপার।’