তবে কি এবার জার্মান-ভক্তরা আশায় বুক বাঁধতে পারেন? যখনই বিশ্বকাপে জার্মানিকে ফেবারিট বিবেচনা করা হয় না, তখনই দলটা জ্বলে ওঠে। অতীতে বেশ কয়েকটি বিশ্বকাপে এমনটি দেখা গেছে। রুডিগারও বললেন একই কথাই, ‘জার্মানিকে কখনোই আপনি হিসেবের বাইরে ফেলে দিতে পারবেন না।’

নতুন প্রজন্মকে হয়তো চাপে ফেলতে চান না​ রুডিগার। এ কারণেই কি না স্বপ্নের পরিধিটা ছোট করতে চাইলেন তিনি, ‘সবাই যদি জার্মানির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেন, তাহলে দেখবেন, আমরা খুব একটা ভালো করিনি। তাই বিশ্বকাপটা যদি জার্মানি জিতেই যায়, সেটি হবে বড় চমক।’

আগের বিশ্বকাপে বেশির ভাগ সময় বেঞ্চে কাটানো রুডিগার এবারের বিশ্বকাপে ছাপ ফেলতে চান তাঁর অভিজ্ঞতার, ‘ব্যাপারটা রোমাঞ্চকর। ২০১৮ সালে আমি তরুণ ছিলাম। জার্মান দলের বেঞ্চে বসেই কেটেছে বেশির ভাগ সময়। কিন্তু এবার আমার দায়িত্ব অনেক বেশি। আমি এবার জার্মান দলে আছি রক্ষণের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে। অনেকটা নেতৃস্থানীয় ভূমিকা আমার। অনেক চেষ্টা, অনেক পরিশ্রমের পর এমনটা হতে পেরেছি। ব্যাপারটা আমাকে অনেক তৃপ্তি দেয়। আমি বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।’