default-image

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে ভারত না খেলা মানেই বাংলাদেশের সুযোগ বেড়ে যাওয়া। সেটা যেকোনো স্তরেই হোক না কেন। নারী ফুটবল, ছেলেদের বয়সভিত্তিক ফুটবলে এই সম্ভাবনা বেশি। ভারতকে আজ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষিদ্ধ করায় দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে আসন্ন টুর্নামেন্টগুলোতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে।

মেয়েদের সাফে কখনোই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ২০১৬ সালে শিলিগুড়িতে একবার রানার্সআপ হয়েছে, সেটি ছিল মেয়েদের চতুর্থ সাফ। মেয়েদের এ পর্যন্ত হওয়া পাঁচটি সাফের শিরোপাই গেছে ভারতের ঘরে।

ভারত না থাকলে মেয়েদের সাফে কি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারে বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ গোলাম রব্বানী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, সাফে মেয়েদের সিনিয়র বিভাগে সব দেশই ভালো। কাজেই এটা বলা যাবে না ভারত না থাকায় আমরা বিরাট সুবিধা পাব। তবে ভারত না থাকলে সুযোগ অবশ্যই বাড়বে। ওরা না থাকা মানে মানসিক বাধাও দূর। ভারত শেষ পর্যন্ত না থাকলে আমরা চেষ্টা করব ভালো করতে। তবে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাব, এমনটা বলা যাবে না।’

default-image

ছেলেদের সাফ অনূর্ধ্ব–১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে বরং সুযোগটা বেশি। এর আগে ছেলেদের সাফ অনূর্ধ্ব–১৫, ১৬ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অনূর্ধ্ব–১৭ বিভাগ এই প্রথম টুর্নামেন্ট হচ্ছে। এই বিভাগে তুলনামূলক বেশি ভালো করা সম্ভব মনে করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সদ্য সমাপ্ত সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলে রানার্সআপ হওয়া বাংলাদেশ দলের কোচ পল স্মলি অনূর্ধ্ব–১৭ দলেরও কোচ। তিনিও মনে করেন, ভারত শেষ পর্যন্ত না খেললে বাংলাদেশের সুযোগ বাড়বে।

এ বছরের নভেম্বরে ঢাকায় হওয়ার কথা সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল। বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলে এমনিতেই বাংলাদেশ বেশ শক্তিশালী। বিভিন্ন বিভাগে চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। ফলে ভারত না থাকা মানে বয়সভিত্তিক নারী বিভাগে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ আগের চেয়েও আত্মবিশ্বাসী হতে পারে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন