বিশ্বকাপ জিতে রোনালদোকে প্রতিদান দিতে চান ফার্নান্দেজ
আগামী ১৯ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো! বিশ্বকাপ ফুটবল সামনে রেখে রোনালদো–ভক্তরা হয়তো এমন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। রোনালদো নিজেও কি এমন স্বপ্ন দেখছেন না?
৪১ পেরিয়ে সবাইকে অবাক করে রোনালদোর আরও একটি বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চয় শুধু অংশগ্রহণের জন্য নয়! জেতার জন্য নিশ্চিতভাবে নিজেকে উজাড় করে দেবেন ‘সিআর সেভেন’। আর রোনালদোর হাতে ট্রফি দেখার জন্য নিজেদের উজাড় করে দেবেন তাঁর সতীর্থরাও। সম্প্রতি রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাওয়ার কথা বলেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজও।
ফার্নান্দেজের চাওয়া, রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার যেন সর্বোচ্চ সাফল্য দিয়ে শেষ হয়। কিংবদন্তি ইংলিশ স্ট্রাইকার ওয়েইন রুনিকে দেওয়া বিবিসির সাক্ষাৎকারে ফার্নান্দেজ বলেন, ‘আমি আমার দেশকে গর্বিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। ক্রিস্টিয়ানোকে (রোনালদো) সঙ্গে নিয়ে এই শেষ বিশ্বকাপটা জিততে পারলে সেটি হবে অসাধারণ কিছু। আমি সত্যিই আশা করি আমরা এটা করতে পারব। শুধু পর্তুগালর জন্য নয়, বরং ফুটবল ও বিশ্বের জন্য ক্রিস্টিয়ানো যা দিয়েছে, সে জন্যও।’
যে বয়সে অনেক ফুটবলার বুটজোড়া তুলে রেখে অবসর যাপন করেন, সেই বয়সে রোনালদো প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিশ্বকাপ জয়ের। এমনকি কোচ রবার্তো মার্তিনেজের দলের মূল ভরসাও তিনি। মানসিক দৃঢ়তাই রোনালদোকে এখনো প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে বলে মনে করেন মার্তিনেজ।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৪৩ গোল করা রোনালদোকে নিয়ে মার্তিনেজ বলেছেন, ‘আমি সব সময় ভাবতাম, একজন খেলোয়াড়কে অবসর নিতে বাধ্য করে তার শরীর। কিন্তু আসলে সিদ্ধান্তটা নেয় তার মন। ক্রিস্টিয়ানোর মন ৪০-৪১ বছর বয়সেও সেই সিদ্ধান্ত নেয়নি। একজন এলিট খেলোয়াড়কে আলাদা করে তার প্রতিভা নয়, বরং মানসিকতা ও দৃঢ়তাই।’
আন্তর্জাতিক সাফল্যের দিকে নজর থাকলেও ক্লাব পর্যায়ে ফার্নান্দেজের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা চলছে জোরেশোরে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডারকে ঘিরে আগে সৌদি প্রো লিগে মোটা অঙ্কের প্রস্তাবের গুঞ্জন শোনা গেলেও, ক্লাব নাকি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গ্রীষ্মে কোনোভাবেই তাঁকে বিক্রি করা হবে না।