মায়ামির অন্য দুই মালিক হোর্হে মাস ও হোসে মার্সের সঙ্গে মেসির বাবা ও তাঁর এজেন্ট হোর্হে মেসির আলোচনা নাকি অনেক দূর এগিয়েছে। গত বছর মায়ামির পোরশে ডিজাইন টাওয়ারে ৯০ কোটি টাকায় অ্যাপার্টমেন্ট কিনে একটা ইঙ্গিত দিয়েও রেখেছেন ৩৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

তবে মেসি যে সত্যি সত্যিই মায়ামির সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন, এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না হার্টের। এনবিএ বাস্কেটবলের দল পোর্টল্যান্ড ট্রেইল ব্লেজার্সের এই শুটিং গার্ড টুইট করেছেন, ‘আগামী বছর মেসি ইন্টার মায়ামিতে আসছেন…এটা হতেই পারে না। যদি তিনি আসেন, তাহলে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের সব ম্যাচের টিকিট আমি পেতে চলেছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর পোর্টল্যান্ড। সেখান থেকে মায়ামির দূরত্ব প্রায় ৫ হাজার ১৫০ কিলোমিটার। সেখান থেকেই মেসির খেলা দেখতে আসতে রাজি হার্ট।

ইংলিশ ক্লাব চেলসির সমর্থক হার্ট এর আগে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ও বার্সেলোনার মাঠ ন্যু ক্যাম্প ঘুরে এসেছেন। চেলসিতে খেলা স্বদেশি ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক তাঁর ইচ্ছা পূরণের অংশীদার ছিলেন।

এ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখানো জার্মান ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগারের সঙ্গে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে দারুণ সময় কেটেছে হার্টের। দুজন ছবি তুলেছেন, একে অন্যকে জার্সি উপহার দিয়েছেন। দেখা করেছেন ম্যাসন মাউন্টের সঙ্গেও।

মেসি মায়ামিতে গেলে নিশ্চয় তাঁর সঙ্গেও দেখার করার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না হার্ট।