লিওনেল মেসি ও ডিয়েগো ম্যারাডোনা।ফাইল ছবি: এএফপি

ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসি। দুজন ভিন্ন সময়ের দুই কিংবদন্তি। এই দুই আর্জেন্টাইনের মধ্যে বিস্তর তুলনা চলে। কে সেরা? এ বিতর্কে কেউ থাকেন মেসির পক্ষে, আবার কেউ থাকেন আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া ম্যারাডোনার পক্ষে। মেসি নিজে অবশ্য বিতর্কে যাননি কখনোই। উল্টো কোপা আমেরিকা জয়ের পর বলেছেন, এটা ডিয়েগোর জন্য।

এই বিতর্ক পছন্দ করেন না সের্হিও আগুয়েরোও। মেসির কাছের বন্ধু ও একসময় ম্যারাডোনার মেয়ের জামাই ছিলেন আগুয়েরো। তাঁর চোখে, মেসি ও ম্যারাডোনা দুজনই ইতিহাসের সেরা, ‘আমার কখনোই মেসি ও ম্যারাডোনার তুলনা পছন্দ হয়নি। দুজনই আর্জেন্টাইনদের হৃদয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছেন। আমরা অনেক ভাগ্যবান যে  ইতিহাসের সেরা দুই ফুটবলার ডিয়েগো ও মেসিকে আমরা পেয়েছি।’

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ম্যারাডোনার সঙ্গে মেসির তুলনা হয়। গত বছর কোপা আমেরিকা জিতে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের খরা কাটিয়েছেন মেসি। তবে ’৮৬ বিশ্বকাপ কিংবদন্তির পাশে বসতে এখনো বিশ্বকাপ জিততে হবে মেসির। আর সে সুযোগ সম্ভবত আর একবারই পাবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক, সেটা কাতার বিশ্বকাপে।

গত ডিসেম্বরে কান্নাভেজা চোখে ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দেন আগুয়েরো
ছবি: টুইটার

কাতার বিশ্বকাপ শুরু ২০ নভেম্বর। টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত থেকে এবারের বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন মেসিরা। নিঃসন্দেহে গত কয়েকটি বিশ্বকাপ দলের চেয়ে এবারের বিশ্বকাপ দল বেশি শক্তিশালী।

মেসি নিজেও আছেন দারুণ ফর্মে। চলতি মৌসুমে পিএসজির হয়ে করেছেন ১২ গোল, আর করিয়েছেন ১৪টি।  ফুটবল বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মেসির বিশ্বকাপ জেতার এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ।

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই মাঠে মেসির সঙ্গে থাকলেও কাতার বিশ্বকাপে থাকতে পারছেন না আগুয়েরো। শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত বছর ডিসেম্বরে ফুটবলকে বিদায় বলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক এই স্ট্রাইকার।