জটিলতার অবসান, কিংসের মাঠেই খেলতে রাজি মোহামেডান
ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে। শর্ত সাপেক্ষে অবশেষে বসুন্ধরা কিংসের নিজেদের মাঠ কিংস অ্যারেনাতেই তাদের বিপক্ষে ফাইনাল খেলতে রাজি হয়েছে মোহামেডান। ফাইনাল হবে কাল।
কিংসের মাঠে খেলতে রাজি হওয়ার কথা জানিয়ে মোহামেডানের ডিরেক্টর ইন চার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল রাতে বাফুফে সভাপতিসহ ফেডারেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা আমাদের ক্লাবের সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলুর বাসায় গিয়ে মোহামেডানকে খেলার অনুরোধ করেন। এরপর সভাপতি মহোদয় আমাদের বলেন, আমরা যেন বাফুফের কাছ থেকে নিশ্চয়তা নেই যে, কিংসের মাঠে খেললে মোহামেডান কোনো অন্যায়–অবিচারের স্বীকার হবে না। বাফুফে সে নিশ্চয়তা দেওয়ায় আমরা খেলতে রাজি হয়েছি।’
সূচি অনুযায়ী ফাইনাল ম্যাচটি আজ বিকেলে কিংস অ্যারেনাতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মোহামেডানের আপত্তির কারণে সেটি হতে পারেনি। ফাইনালে ওঠার পর গত বুধবার কিংসের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে ফাইনাল খেলতে অস্বীকৃতি জানায় মোহামেডান। এ নিয়ে অচলাবস্থা নিরসনে কাল দুই ক্লাবের প্রতিনিধির সঙ্গে সভায় বসেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। তাতে কিংসের মাঠে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে মোহামেডান।
আজ সকালে বসুন্ধরা কিংস এমনও বলেছিল, ফাইনাল খেলার দরকারই নেই, ট্রফিটা যেন মোহামেডানকে দিয়ে দেওয়া হয়। তবে আরেক দফা আলোচনা শেষে মোহামেডান কিংসের মাঠেই খেলতে রাজি হওয়ায় বসুন্ধরা কিংসের প্রধান কোচ বায়েজিদ আলম জোবায়ের প্রথম আলোকে বলেন, ফেডারেশন ও মোহামেডান ভুল বুঝতে পেরে খেলতে রাজি হয়েছে।
জোবায়ের বলেন, ‘বসুন্ধরা কিংস আজ সকালে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছিল ফাইনাল না করে কাপটা মোহামেডানকে দিয়ে দিতে। সেটি আসলে আমাদের ম্যানেজমেন্ট অভিমান থেকে বলেছিল। কারণ ফাইনালের ভেন্যু আগেই লটারির মাধ্যমে ঠিক হয়েছিল। তখন মোহামেডান কিছু বলেনি। ফাইনালে ওঠার পর তারা বলল কিংসের মাঠে খেলবে না। আরও আগে বললে হতো।’
তিনি বলেন, ‘ফুটবলের স্বার্থে আমরা যেকোনো মাঠে খেলতে রাজি ছিলাম। এখন যেহেতু কিংসের মাঠেই ফাইনাল হচ্ছে, আমরা খেলব। মিটিং করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’