default-image

টক স্পোর্টসের কাছে বেশ মজা করেই আগবোনলাহোর মন্তব্য করেন, ‘রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রতি আনুগত্য এমনই যে সে চাইলেই লিভারপুলের জার্সি গায়ে দিতে পারে।’ ইংলিশ ফুটবলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। সে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার জন্য যেকোনো জায়গাতেই যেতে পারে। সে তাঁর রেকর্ডের সঙ্গে নতুন কিছু যোগ করতে চাইবেই।’

default-image

৩৭ বছর বয়সী রোনালদো ইউনাইটেড ছাড়ার জন্য হন্যে। তিনি যেকোনো মূল্যে চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে চান। তবে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো, যেখানে পর্তুগিজ তারকার যাওয়ার গুঞ্জন উঠেছিল, তারা সবাই জানিয়ে দিয়েছে, রোনালদোকে নেওয়ার কোনো সুযোগ ও সম্ভাবনা তাদের নেই।’ বায়ার্ন মিউনিখ, পিএসজি, চেলসি ও আতলেতিকোর নামের সঙ্গে সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে জড়িয়েছিল রোনালদোর নাম।

default-image

ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাদের ডাচ্‌ কোচ এরিক টেন হাগ দাবি জানিয়ে আসছেন, রোনালদো তাঁর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গত মঙ্গলবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অনুশীলন মাঠ ক্যারিংটনে রোনালদোর সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন টেন হাগ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রধান নির্বাহী ও সাবেক কোচ ও রোনালদোর ‘গুরু’ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। সেখানে রোনালদোকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তিনি কোথায় যেতে পারবেন না।

কিন্তু রোনালদো নাকি তাঁর সিদ্ধান্তে অবিচল। তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখতেই তাতে খেলতে চান। যেতে চান এমন একটা ক্লাবে যে ক্লাব ইউরোপ-সেরা হওয়ার টুর্নামেন্টের অংশ। মৌসুমের শুরুর প্রস্তুতিতে রোনালদো যোগ দেননি ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রাক্‌-মৌসুম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সফর করেননি থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন