default-image

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে প্রথম দফায় চেলসিতে গিয়ে কিছু করতে পারেননি, তখন দ্রগবা-তোরেসদের ভিড়ে সুযোগ পাবেন না জেনে ইংল্যান্ডেরই ওয়েস্ট ব্রম ঘুরে এভারটনে গেছেন। সেখানে ভূরি ভূরি গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে গেছেন, কিন্তু বড় ক্লাবে প্রথম পরীক্ষায় খুব একটা সফল হতে পারেননি লুকাকু। ইউনাইটেডে দুই মৌসুমে লিগে ১৬ আর ১২ গোল করার পর ২০১৯-২০ মৌসুমে ইন্টারে যাওয়া।

সেখানেই আবার নিজেকে খুঁজে পেয়েছিলেন লুকাকু। আন্তোনিও কন্তের অধীনে ইন্টারকে ২০২০-২১ মৌসুমে ইতালিয়ান লিগ জেতানোর পথে করেছেন ২৪ গোল, তার আগের মৌসুমেও লিগে গোল ২৩টি। ফল? চেলসির চোখ পড়ে তাঁর দিকে। বড় অঙ্কে সেখানে চলেও যান। কিন্তু কোচ টমাস টুখেলের কৌশলে মানিয়ে নিতে না পারা, ক্লাবের সঙ্গে বিরোধের পাশাপাশি লিগে ২৬ ম্যাচে মাত্র ৮ গোল করা লুকাকুর চেলসি অধ্যায় এক মৌসুমের বেশি বড় হলো না।

এবার আবার ধারে ইন্টারে যাওয়ার পর এখন লুকাকুর মনে হচ্ছে, ইন্টার ছেড়ে চেলসিতে যাওয়াই ভুল ছিল। ইন্টারের ২০২২-২৩ মৌসুমের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে সতীর্থ নিকোলো বারেল্লার সঙ্গে মজা করতে করতেই বলছিলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে এবারের মৌসুমটি। আমি ক্লাব ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম, সেটি বড় ভুল ছিল। তাই না, নিকো? (হাসি)। এখন আবার এই জার্সিটা পরতে পেরে আমি খুশি। গত মৌসুমে ইংল্যান্ডে থাকার সময়েই আরেকবার বুঝতে পেরেছিলাম, ফুটবল বিশ্বে ইন্টার কত গুরুত্বপূর্ণ।’

মিলানে লুকাকু যখন ইন্টারের প্রশংসায় মত্ত, একই দিনে চেলসি কোচ টুখেলের কাছে প্রশ্ন ছুটে গেল চেলসিতে লুকাকুর ভবিষ্যৎ নিয়ে। তাঁর আর ফেরা হবে চেলসিতে? টুখেলের উত্তরে ইঙ্গিত পরিষ্কার, ‘ও যেহেতু ধারেই গেছে সেখানে, সে ক্ষেত্রে ফেরার সম্ভাবনা তো থাকেই। তবে সেটার সম্ভাবনা বাস্তবে কতটা, তা আমি বলতে পারছি না। এ ব্যাপারে ধারণা দেওয়া আমার কাজ নয়।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন