ফিফার দেওয়া চিঠিতে অবশ্য নির্বাচন বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। ফিফার জেনারেল সেক্রেটারি ফাতমা সামৌরার সই করা চিঠিতে বলা হয়, ‘নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় গঠনতন্ত্রের ১৩ ধারা অনুসারে প্রযোজ্য সদস্যের সুযোগ-সুবিধা পাবে না এফএফএসএল। এর কোনো সদস্য বা কর্মকর্তা ফিফা ও এএফসির উন্নয়ন কার্যক্রম, কোর্স বা ট্রেনিংয়ের সুবিধাও পাবে না।’

সদস্য দেশগুলোকে এফএফএসএল বা এর অধীন দলগুলোর সঙ্গে ক্রীড়া-বিষয়ক যোগাযোগ থেকে বিরত থাকতে বলেছে ফিফা।

বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের ২০৭তম অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা।

এর আগে গত বছর ভারতকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ফিফা, যদিও কিছুদিন পরই সেটি উঠিয়ে নেওয়া হয়। তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ পাকিস্তান ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল। বাংলাদেশের ওপরও একই কারণে নিষেধাজ্ঞা এসেছিল ২০০২ সালে।