default-image

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গোল করে বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছিলেন বদলি ফরোয়ার্ড। ভারত ম্যাচে তাঁকে মাঠে নামানো হয়নি। আজ মালদ্বীপের বিপক্ষে একাদশেই ছিলেন এই তরুণ। সুযোগ পেয়ে নিজেকে চেনাতে সেরাটা দিয়েছেন মাঠে। গোল করেছেন, করিয়েছেন। মাঠে মিরাজুল ছিলেন রুদ্রমূর্তিতে।

ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে আজ প্রথমার্ধটা ছিল শুধুই বাংলাদেশের। এ সময় মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশকে রোখার শক্তি এই মালদ্বীপের নেই। ১৮, ২১ ও ৪২ মিনিটে ৩ গোল করে মিরাজুল ছত্রখান করে দেন মালদ্বীপের রক্ষণ। কোনোভাবেই তাঁকে আটকানো যায়নি। যখন যা করা দরকার, পরিস্থিতির দাবি মিটিয়েছেন ষোলো আনা। মাঝে ৩২ মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন রফিকুল ইসলাম।

default-image

সহজ এই জয়ের সুবাদে টুর্নামেন্টে সুবিধাজনক অবস্থায় এখন বাংলাদেশ। প্রথম তিনটি ম্যাচই জিতে ফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছে লাল–সবুজের দল। অনেকটা বলার কারণ, বাংলাদেশ ২ আগস্ট নেপালের কাছে শেষ ম্যাচে হারলে ৯ পয়েন্ট হতে পার ভারত–নেপালেরও। তবে তিন দলের সমান ৯ পয়েন্ট হলে গোল গড় একটা নির্ণায়ক হতে পারে। সেটা মাথায় রেখেই আজ শুরু থেকে গোলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ—দুই দেশের মূল জাতীয় দলের লড়াইয়ে বাংলাদেশ সর্বশেষ ম্যাচেও হেরেছে মালদ্বীপের কাছে। ফিফা প্রীতি ম্যাচে মালেতে সেই ম্যাচ ছিল ২-০। তবে দুই দেশের যুব ফুটবলে মালদ্বীপ যে অনেকটা পিছিয়ে আছে, সেটা আজ আবার বোঝা গেছে। এই টুর্নামেন্ট মালদ্বীপ শুরুই করেছে নেপালের কাছে ৪-০ গোলে বড় হার দিয়ে। আলী আশফাকদের উত্তরসূরিদের আজও বড় হার। টুর্নামেন্ট থেকে সম্মান নিয়ে ফিরতে পারাই এখন তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখছে ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন