৩ গোল খেয়ে মৌসুমের প্রথম হার আর্সেনালের
আর্সেনাল ০ : ৩ ব্রাইটন
আর্সেনালকে হাতছানি দিচ্ছিল ২০০২ সালের স্মৃতি। সেবারই সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগে টানা ১০ ম্যাচ জিতেছিল লন্ডনের দলটি। গত মৌসুমের সর্বশেষ পাঁচ, আর এবারের প্রথম চার ম্যাচে জিতে আর্সেন ওয়েঙ্গারের দলের কীর্তি ছোঁয়ার সুযোগ ছিল মিকেল আরতেতার দলের সামনে।
কিন্তু রেকর্ড বহুদূর, উল্টো ব্রাইটনে বিধ্বস্ত হয়ে ম্যাচটাই হেরেছে আর্সেনাল। আজ লিগের ম্যাচে আরতেতার দলকে ৩–০ গোলে হারিয়েছে ব্রাইটন।
২০২৩ সালের মে মাসের পর লিগে আর্সেনালের সবচেয়ে বড় হার এটি (আগেরটিও ব্রাইটনের কাছেই ৩–০)।
বুধবার কারাবাও কাপে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারানো ব্রাইটন আজ নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই ছিল আত্মবিশ্বাসী। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত দুটি দূরপাল্লার শটে গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিকেরা। ৩১ মিনিটে অধিনায়ক পাসকাল গ্রস এগিয়ে দেওয়ার পর ৪৫ মিনিটে ২–০ করেন চারালামপোস কোস্তুলাস। দুটিই বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে।
প্রথমার্ধে ২ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আর্সেনাল সর্বশেষ ম্যাচ জিতেছিল ২০০৮ সালের মার্চে। এরপর এমন ম্যাচের ২৮টিতেই ছিল হার, ড্র ৪টিতে।
আজ ব্রাইটনের বিপক্ষেও প্রথমার্ধের ২ গোলের সেই ব্যবধান ঘোচাতে পারেনি আর্সেনাল। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে আরও ১ গোল হজম করেছে আরতেতার দল।
৫৭ মিনিটে হেডে স্কোরলাইন ৩–০ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার চিমা আন্দ্রেস। এমনকি চতুর্থ গোলের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিল স্বাগতিকেরা, দাভিদ রায়ার দৃঢ়তায় সেটি আর হয়নি।
আর্সেনালের হয়ে গোলের সবচেয়ে ভালো সুযোগটি পেয়েছিলেন কাই হাভার্টজ। তবে ৭৮ মিনিটের সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি জার্মান ফরোয়ার্ড।
পুরো ম্যাচে মাত্র দুটি শট লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে আর্সেনাল, বিপরীতে ব্রাইটন রেখেছে ৫টি। মোট শটেও আর্সেনালের (১১) চেয়ে এগিয়ে ব্রাইটন (১৭)।
পাঁচ ম্যাচে ৩ জয়, ১ ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাইটন এখন লিগ টেবিলে তৃতীয়। সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় আর্সেনাল। এক ম্যাচ কম খেলা ম্যানচেস্টার সিটি ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে।