সাফের পর জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরতে পারে ঘরোয়া ফুটবল

জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকাপ্রথম আলো

প্রায় পাঁচ বছর ধরে জাতীয় স্টেডিয়ামে নেই ঘরোয়া ফুটবলের ম্যাচ। ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচের পর সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ হয়ে যায় দেশের ঐতিহ্যবাহী এই ফুটবল ভেন্যু। সংস্কার শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফিরলেও ঘরোয়া ফুটবলের ম্যাচ আর হয়নি। এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যস্ততা শেষ হলে জাতীয় স্টেডিয়ামে ঘরোয়া ফুটবল ফেরানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

বাফুফে ভবনে আজ কমপিটিশন কমিটি, প্রকিউরমেন্ট কমিটি ও গ্রাউন্ডস কমিটির যৌথ সভায় জাতীয় স্টেডিয়ামসহ দেশের বিভিন্ন ভেন্যুর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বাফুফে সদস্য ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন।

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সামনে রেখে জাতীয় স্টেডিয়ামকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইকবাল বলেন, ‘সাফের পর ঘরোয়া ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো আমরা ঢাকা স্টেডিয়ামে আয়োজনের চিন্তাভাবনা করছি। সেটা হতে পারে ফেডারেশন কাপ ফাইনাল বা লিগের কিছু বড় ম্যাচ।’

বাফুফে ভবনে আজ কমপিটিশন কমিটি, প্রকিউরমেন্ট কমিটি ও গ্রাউন্ডস কমিটির যৌথ সভা হয়
বাফুফে

এদিকে ঘরোয়া ফুটবলের ভেন্যু হিসেবে প্রথমবার যুক্ত হওয়া চাঁদপুর স্টেডিয়ামে পিচ সরিয়ে ঘাস লাগানোর কাজ শেষ পর্যায়ে বলে জানানো হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাফুফের প্রতিনিধিদল মাঠটি আবার পরিদর্শন করবে। গাজীপুর, বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা, কুমিল্লা এবং মুন্সিগঞ্জের ভেন্যুগুলোও ঘরোয় ফুটবল ম্যাচ হওয়ার মতো উপযুক্ত আছে বলে জানিয়েছে বাফুফে কম্পিটিশন কমিটি।

১৮ ও ২২ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী লিগ ও ফেডারেশন কাপের ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। যদিও দশটি ক্লাব গত মঙ্গলবার ৬ দফা দাবি নিয়ে বাফুফেকে চিঠি দিয়েছে। সেখানে লিগ পেছানোর সরাসরি কোনো কথা উল্লেখ না থাকলেও প্রকারান্তরে অনেক ক্লাবই চায় লিগ পিছিয়ে যাক।

এ নিয়ে বাফুফে লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘ক্লাব এবং ফুটবল ফেডারেশন একে অপরের পরিপূরক। ক্লাবকে বাদ দিয়ে তো আমরা খেলতে পারব না। ক্লাব যদি না খেলতে চায়, আমাদের ইসি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই লিগ শুরু হবে।’

আরও পড়ুন