সম্প্রতি সদ্য শেষ হওয়া গ্রীষ্মের দলবদলের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে ফিফা। যেখানে বলা হয়েছে, পুরুষ খেলোয়াড়দের দলবদল থেকে এজেন্টরা প্রায় ১০ শতাংশ অর্থ নিজেদের পকেটে পুড়েছেন। একদশক আগেও যা ছিল ৬ দশমিক ১ শতাংশ।

default-image

গত মৌসুমে দলবদলের বাজারে সব মিলিয়ে ৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন পাউন্ড লেনদেন হয়েছে, যা কি না আগের বছরের চেয়ে ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার মধ্যে এজেন্টরা পেয়েছেন ৪৩০ মিলিয়ন পাউন্ড।

গত বছর এই অঙ্ক ছিল ৩৭১ মিলিয়ন পাউন্ড। ফিফার প্রকাশিত তালিকায় মূলত চলতি বছরের জুনের ১ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ পর্যন্ত সময়কালকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এ বছর পুরুষ ও নারী খেলোয়াড়দের দলবদলে বিশ্বব্যাপী রেকর্ডসংখ্যক খেলোয়াড় দল বদলেছেন। পুরুষদের দলবদলেই বিশ্বব্যাপী রেকর্ড ৯ হাজার ৭১৭ খেলোয়াড় দল বদলেছেন। যেখানে এখনো ৪১৭ খেলোয়াড় নিবন্ধনের অপেক্ষায় আছেন।

এই নিবন্ধন সম্পন্ন হলে প্রথমবারের খেলোয়াড়দের দলবদলের সংখ্যা ১০ হাজারের কোটা অতিক্রম করবে। ফিফার প্রতিবেদন বলছে, উয়েফার অধীন থাকা দেশগুলোতেই ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি খেলোয়াড় নতুন ক্লাবের হয়ে স্বাক্ষর করেছেন।


আর দেশ হিসেবে ৪২২ খেলোয়াড় নিয়ে ট্রান্সফার ফিতে নেতৃত্ব দিয়েছে ইংলিশ ক্লাব। যেখানে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের পেছনে রেকর্ড ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন পাউন্ড অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

এর আগে আন্তর্জাতিকভাবে খেলোয়াড়দের দলবদলে রেকর্ড হয়েছিল ২০১৯ সালে। সে বছর সব মিলিয়ে ৯ হাজার ৯২ খেলোয়াড় দলবদল করেছিলেন। এমনকি এ বছর নারীদের দলবদলেও রেকর্ডসংখ্যক খেলোয়াড় ক্লাব বদল করেছেন।

এ বছর দলবদল থেকে পাওয়া এই অর্থ এজেন্টদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়ই বলা যায়। পাশাপাশি দলবদলের বাজারে মধ্যস্থাকারীদের গুরুত্ব যে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সেই ইঙ্গিতও এখান থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

তবে দলবদল থেকে পাওয়া ২০২১ সালের সামগ্রিকভাবে আয়ের অঙ্ক থেকে কিছুটা কম। গত বছর সব মিলিয়ে এই অঙ্ক ছিল ৪৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড। ধারণা করা হচ্ছে, দলবদলের বাজারে এমন রমরমা অবস্থা ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাকেও দলবদলের প্রক্রিয়াকে নতুন করে সাজাতে উদ্বুদ্ধ করবে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন