মেসি–লেভানডফস্কির উত্তাপ টের পেল যুক্তরাষ্ট্র

মাঠে নামার আগে মেসি ও লেভানডফস্কিএএফপি

ইন্টার মায়ামি ১ : ১ শিকাগো ফায়ার

ম্যাচের আগেই উত্তাপ টের পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। লিওনেল মেসি বনাম রবার্ট লেভানডফস্কির ম্যাচ বলে কথা! ইউরোপিয়ান ফুটবলে বছরের পর বছর রাজত্ব করা দুই তারকার লড়াই দেখতে সোলজার ফিল্ড স্টেডিয়ামে সে কারণেই ভিড় জমিয়েছিলেন রেকর্ডসংখ্যক দর্শক।

বাংলাদেশ সময় আজ সকালে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচে শিকাগোর এ স্টেডিয়ামে ৬৩ হাজার ৯৪ জন দর্শকের সামনে মুখোমুখি হয় ইন্টার মায়ামি ও শিকাগো ফায়ার।

এই ম্যাচে ভেঙেছে গত মৌসুমে এই দুই দলের লড়াইয়েই সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড। শেষ পর্যন্ত অবশ্য দুই দলের সমর্থকদেরই খুশি থাকার কথা। ম্যাচে যে কেউ জেতেনি, ড্র হয়েছে ১-১ গোলে এবং গোলে অবদান রেখেছেন মেসি-লেভানডফস্কি।

ফায়ারের ঘরের মাঠে শুরুর গল্পটা লেভানডফস্কির। ১০ মিনিটেই শিকাগোকে এগিয়ে দেন পোলিশ কিংবদন্তি। এক গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফায়ার। বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে সফলও হয় মায়ামি। মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে হেডে গোল করেন কাসেমিরো।

কাসেমিরোর গোলে সহায়তা করেন মেসি
এএফপি

কাসেমিরোর গোলটিতে সহায়তা করে চলতি মৌসুমে মেসির অ্যাসিস্ট (গোল করানো) দাঁড়াল ১৩টি। পাশাপাশি ১৮টি গোলও করেছেন। তাতে এমএলএসের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি আলাদা মৌসুমে ৩০টির বেশি গোলে অবদান রাখার কীর্তিও গড়লেন মেসি।

আরও পড়ুন

ম্যাচে শেষ দিকে জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল মায়ামি। কিন্তু শিকাগো ফায়ারের গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি মায়ামির সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান। পুরো ম্যাচেই দারুণ খেলে ছয়টি সেভ করেন।

ম্যাচ শেষে শিকাগোর গোলরক্ষককে কৃতিত্ব দিলেন মায়ামি কোচ গিলের্মো হয়োস, ‘আক্রমণভাগ নিয়ে কোনো সমস্যাই ছিল না। আমার কাছে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় তাদের গোলরক্ষক।’

হয়োস আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে সুযোগ তৈরি করেছি। কিন্তু তাদের গোলরক্ষক নিজের কাজটা খুব ভালোভাবে করেছে। ছেলেরা খুব ভালো খেলেছে, আমি বলব অসাধারণই খেলেছে। শুধু আমাদের প্রাপ্য ফলটা পাওয়া হয়নি।’

এই ড্রয়ে দ্বিতীয় মায়ামি শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এসসির চেয়ে ৯ পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল। ২৪ ম্যাচে ন্যাশভিলের পয়েন্ট ৫৩, মায়ামির ৪৪। মায়ামির ম্যাচের আগে টরন্টো এফসির কাছে ন্যাশভিল হেরে যাওয়ায় ব্যবধান কমানোর বড় সুযোগ ছিল মেসিদের সামনে। সেটি কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ১৩ সেপ্টেম্বর ন্যাশভিলের বিপক্ষেই মাঠে নামবে মায়ামি। সেই ম্যাচটাও মায়ামির জন্য সহজ হবে না।

কারণ, মেসি ও মায়ামির জন্য সময়টা কঠিনই যাচ্ছে। আগস্টের শুরু থেকে সাত ম্যাচে মাত্র এক জয় পেয়েছে দলটি। এর মধ্যে দুটি ড্র ও চারটি হার। তারপরও বড় স্বপ্নই দেখছে মায়ামি। ২০১১-১২ মৌসুমের লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুই মৌসুম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য তাদের।

আরও পড়ুন