মেসির চোট নিয়ে যে খবর দিল ইন্টার মায়ামি
সোমবার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৬–৪ গোলে জয়ের ম্যাচে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে মেসির এভাবে মাঠ ছেড়ে যাওয়া ভয় ধরিয়ে দেয় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মনে।
তবে আতঙ্কিত ভক্ত–সমর্থকদের স্বস্তির খবর দিয়েছে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি। ক্লাবটি সোমবার মেডিক্যাল পরীক্ষা শেষে জানায়, বাম হ্যামস্ট্রিংয়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ ও ক্লান্তির কারণেই এই সমস্যা হয়েছে। তাঁর মাঠে ফেরার সময় নির্ভর করবে শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর।
এদিকে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসও জানিয়েছে, মেসির শারীরিক অস্বস্তির পেছনে কোনো গুরুতর চোট নেই। আর্জেন্টাইন ফুটবল দলের কোচিং স্টাফরা আশা করছেন, মেসি আগামী ১ জুন সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে দলের অনুশীলনে যোগ দেবেন।
গতকাল মায়ামির এনইউ স্টেডিয়ামে ৭০ মিনিটের দিকে ফ্রি–কিক নেওয়ার পর মেসিকে বাঁ ঊরুর ওপরের অংশে হাত দিতে দেখা যায়। এরপর তিনি নিজেই বদলির আবেদন করেন। তাঁর বদলে মাঠে নামেন মাতেও সিলভেত্তি। তবে মাঠ ছাড়ার সময় কিংবা ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পথে মেসির অতিরিক্ত কোনো সহায়তার প্রয়োজন হয়নি।
সোমবার এক বিবৃতিতে মায়ামি জানায়, ‘মেডিক্যাল পরীক্ষার পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মেসির বাম হ্যামস্ট্রিংয়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ ও ক্লান্তিজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাঁর মাঠে ফেরার সময় নির্ভর করবে শারীরিক ও ক্লিনিক্যাল অবস্থার উন্নতির ওপর।’
মেসি মাঠ ছাড়ার সময় ম্যাচটি ৪-৪ সমতায় ছিল। তবে তার বিদায়ের পর মায়ামি আরও দুই গোল করে ম্যাচটি জিতে নেয়। এই জয়ের ফলে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে থেকে দীর্ঘ বিরতিতে গেল মায়ামি।
ম্যাচ শেষে মেসির চোট নিয়ে মায়ামি কোচ গিলের্মো হয়োস বলেন, ‘এ মুহূর্তে এ বিষয়ে আমাদের হাতে কোনো মেডিক্যাল রিপোর্ট নেই। তবে শিগগিরই সেটা পাওয়া যাবে। যতটুকু জানি, ও খুব ক্লান্ত ছিল। এটা মূলত ক্লান্তিজনিত ব্যাপার। মাঠও বেশ ভারী ছিল। আর এমন পরিস্থিতিতে সন্দেহ থাকলে সাধারণত ঝুঁকি নেওয়া হয় না।’
এখনো বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেনি আর্জেন্টিনা। তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে মেসির খেলা প্রায় নিশ্চিত বলেই ধরে নেওয়া যায়। আগামী ১৬ জুন ‘জে’ গ্রুপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এবার বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।