গোল, গোল বাতিল, লাল কার্ড এবং হলান্ডের গোলে সিটির নাটকীয় জয়
কী নাটকটাই না হলো যোগ করা সময়ে! সেই নাটকীয়তায় আর্লিং হলান্ডের যোগ করা সময়ের পেনাল্টি গোলে লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান আবার ৬ পয়েন্টে নামিয়ে এনেছে পেপ গার্দিওলার দল।
ম্যাচের শেষ ছয় মিনিটে সিটি যখন হারের পথে, তখন বের্নার্দো সিলভা সিলভা দলকে সমতায় ফেরান। সেখান থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাস্য এক নাটকের শেষ দৃশ্য। যোগ করা সময়ের ৩ মিনিটে পেনাল্টি গোলে সিটিকে এগিয়ে দেন হলান্ড। এরপর আরেকটি ফাউল আর পাল্টা ফাউলের ঘটনার সময় আরেকবার বল লিভারপুলের জালে জড়ায়। কিন্তু সেই ঘটনা ভিএআর পর্যালোচনায় পৌঁছায়। যেখানে সিটির গোল বাতিল হয় এবং লিভারপুলের ডমিনিক সোবসলাই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
আজকের এই হার আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার স্বপ্নে আরেকটি ধাক্কা দিল লিভারপুলকে। প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এখন পয়েন্ট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে আছে। পঞ্চম স্থানে থাকা চেলসির চেয়ে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। যদিও এই অর্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিল ম্যান সিটিই। লিভারপুলের গোলে ১০টি শট লক্ষ্যে রাখে তারা। সিটির আক্রমণ রুখে লিভারপুলও বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ অবশ্য তৈরি করে। কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোল পায়নি তারাও।
শেষ পর্যন্ত ফ্রি-কিক থেকে সোবসলাইয়ের গোলে ৭৪ মিনিটে এগিয়ে যায় লিভারপুল। পোস্টের ভেতরের অংশে লেগে জালে ঢোকে বল। তবে শেষ পর্যন্ত নায়ক থেকে খলনায়ক বনে যান হাঙ্গেরিয়ান মিডফিল্ডার। সোবসলাইয়েরই এক ভুলের সুযোগ নিয়ে ৮৪ মিনিটে সিটিকে সমতায় ফেরান সিলভা। হলান্ডের হেড থেকে পাওয়া বলে সোবসলাইকে ফাঁকি দিয়ে দারুণ এক ভলিতে বল জালে পাঠান তিনি।
এরপর আলিসন মাতেউস নুনেসকে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় সিটি। স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন হলান্ড। এই জয়ের পর ২৫ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ম্যান সিটি। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট সমান ম্যাচে ৫৬। ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে অ্যাস্টন ভিলা। চতুর্থ স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পয়েন্ট ৪৪। চেলসি ১ পয়েন্ট কম নিয়ে আছে পঞ্চম স্থানে, ষষ্ঠ স্থানে থাকা লিভারপুলের পয়েন্ট ৩৯।