গোলরক্ষক হিসেবে সাউথগেট ভরসা রেখেছেন এভারটনের জর্ডান পিকফোর্ড, নিউক্যাসলের নিকো পোপ এবং এ মৌসুমের চমক দেখানো আর্সেনাল গোলরক্ষক অ্যারন রামসডেল। তবে ১ নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে পিকফোর্ডের কাঁধেই পোস্ট সামলানোর দায়িত্ব দেবেন ইংলিশ কোচ।

রক্ষণে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে সাউথগেটকে। ম্যাগুয়ারের মতো ছন্দে হারিয়ে নিজেকে খুঁজতে থাকা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আরনল্ডকে দলে রেখেছেন তিনি। মূলত চেলসি ডিফেন্ডার রিস জেমস এবং বেন চিলওয়েল চোটে পড়ে ছিটকে যাওয়াতে ম্যাগুয়ার এবং আরনল্ডের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে ইংলিশ কোচকে।

মিডফিল্ডে ইংল্যান্ডের বড় ভরসা তারুণ্য। ম্যাসন মাউন্ট, ডেকলান রাইস, জেমস ম্যাডিসন এবং জুড বেলিংহামের মতো তরুণদের কাঁধেই এখন বড় দায়িত্ব। সঙ্গে অবশ্য লিভারপুল অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসনের অভিজ্ঞতাকেও পাচ্ছে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগেও তারকা ছড়াছড়ি। ফিল ফোডেন, জ্যাক গ্রিলিশ, হ্যারি কেইন, রাহিম স্টার্লিং, বুকায়ো সাকাদের মধ্য থেকে ফরোয়ার্ড নির্বাচনে হিমশিম খেতে হতে পারে সাউথগেটকে।

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দল

গোলরক্ষক: জর্ডান পিকফোর্ড (এভারটন), নিকো পোপ (নিউক্যাসল), অ্যারন রামসডেল (আর্সেনাল)।
ডিফেন্ডার: হ্যারি ম্যাগুয়ার (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), লুক শ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), এরিক ডায়ার (টটেনহাম), জন স্টোনস (ম্যানচেস্টার সিটি), কাইল ওয়াকার (ম্যানচেস্টার সিটি), কিয়েরেন ট্রিপিয়ার (নিউক্যাসেল), কনর কোডি (এভারটন), বেন হোয়াইট (আর্সেনাল), ট্রেন্ট আলেকজান্ডার–আরনল্ড (লিভারপুল)।
মিডিফল্ডার: জুড বেলিংহাম (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড), ম্যাসন মাউন্ট (চেলসি), কনর গালাঘার (চেলসি), ডেকলান রাইস (ওয়েস্ট হাম), জর্ডান হেন্ডারসন (লিভারপুল), ক্যালভিন ফিলিপস (ম্যানচেস্টার সিটি), জেমস ম্যাডিসন (লেস্টার সিটি)।
ফরোয়ার্ড: ফিল ফোডেন (ম্যানচেস্টার সিটি), জ্যাক গ্রিলিশ (ম্যানচেস্টার সিটি), হ্যারি কেইন (টটেনহাম), বুকায়ো সাকা (আর্সেনাল), রাহিম স্টার্লিং (চেলসি), ক্যালাম উইলসন (নিউক্যাসল), মার্কাস রাশফোর্ড (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)।