৬ অক্টোবর আর্জেন্টাইন সংবাদকর্মী সেবাস্তিয়ান ভিগনোলোকে এক সাক্ষাৎকারে মেসি জানিয়েছেন, ফলাফল যা-ই হোক, কাতারের পর আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর বিশ্বকাপ খেলবেন না। ২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেন মেসি। এরপর খেলেছেন আরও ৩ বিশ্বকাপ।

মেসির হাত ধরে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ খরা ঘোচাবে—প্রতি বিশ্বকাপের আগেই শোনা গেছে এমন রব। তবে প্রতিবারই লেখা হয়েছে আক্ষেপের গল্প। মেসি আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেননি। ২০১৪ সালে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে হয়েছে স্বপ্নভঙ্গ। ৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে মেসি ম্যাচ খেলেছেন ১৯টি, গোল করেছেন ৬টি।

কাতারে শেষ বিশ্বকাপ খেলার কথা জানিয়ে মেসি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপের জন্য দিন গুনছি। প্রবল উদ্দীপনা আর দুশ্চিন্তা একই সঙ্গে কাজ করছে। আমরা এটা জিততে চাই, কী হবে জানি না। তবে এটাই শেষ, যা-ই হোক না কেন।’

আর্জেন্টিনা দলে মেসির সতীর্থ লিসান্দ্রো মার্তিনেজ স্বয়ং মেসির কথাই বিশ্বাস করছেন না! ইএসপিএন আর্জেন্টিনার অনুষ্ঠান স্পোর্টস সেন্টারকে এই সেন্টারব্যাক বলেছেন, ‘এটা (কাতার) মেসির শেষ বিশ্বকাপ হয় কীভাবে? পাগল নাকি! আমরা তাকে যেতে দেব না...প্রয়োজন হলে আমরা ওর জন্য যুদ্ধে যাব।’

মার্তিনেজ সেই সব ভাগ্যবান খেলোয়াড়দের একজন, যারা মেসি ও রোনালদোর সতীর্থ হিসেবে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। ইউনাইটেডের অনুশীলনে পাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আর আর্জেন্টিনার অনুশীলনে তাঁর সতীর্থ মেসি। এমন দুই তারকার সঙ্গে অনুশীলনের অভিজ্ঞতাও জানালেন ২৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার, ‘নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয়। তাদের সঙ্গে খেলতে পারা আমার জন্য সম্মানের ব্যাপার। তারা সবকিছু জিতেছে। আরও জিততে চায়।’

ইউনাইটেডে রোনালদোর সঙ্গে খেলা ও অনুশীলনের অভিজ্ঞতাও ভাগ করেন মার্তিনেজ, ‘প্রথম দিন থেকেই সে আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে। খুবই বন্ধুবৎসল। পেশাদার। অনুশীলনে সবার আগে এসে সবার পরে যায়। নিজের যত্ন নেয়, এমনকি খাবারেও। এসব দেখেই বোঝা যায়, কী দুর্দান্ত ক্যারিয়ার তার!’