default-image

আজই বাফুফের কাছে চিঠি দিয়ে ট্রফির দাবি জানিয়েছিল কিংস। কিন্তু বাফুফে তাদের সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি। ট্রফি হাতে না নেওয়া হোক, লাল জার্সিতে কিংস সমর্থকেরা গ্যালারি মাতিয়ে রাখতে কোনো দ্বিধা করেননি।

শীর্ষ দুই দলের খেলায় শুরুর দিকেই উত্তেজনা। ১৪ মিনিটে কিংসের ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগেল ফেগুয়েরা ও আবাহনীর ইরানি ডিফেন্ডার মিলাদ শেখের হাতাহাতিতে খেলা বন্ধ ছিল প্রায় তিন মিনিট। মিগেল ও সোহেলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে রেফারি সতর্ক করলেও পরে এমন ঘটনা দেখা গেছে আরও।

২০ মিনিটে নুহা মারংয়ের গোলে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস। মিগেলের ফ্রি–কিকে ফ্লিক হেডে গোলটি করেন গাম্বিয়ান এই স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই সমতায় ফেরে আবাহনী। দরিয়েলতনের রক্ষণচেরা পাস থেকে বক্সের মধ্যে থেকে প্রথম স্পর্শে জালে জড়িয়ে দিয়েছেন রাকিব হোসেন।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমেই রবসন খেলার চেহারা বদলে দেন। ৭১ মিনিটে স্বদেশি মিডফিল্ডার মিগেলের সাধারণ একটা পাস। বক্সের মধ্যে কোনায় নিয়ন্ত্রণে নিলেন। ডান পায়ের জোরালো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে, ২–১। যোগ করা সময়ে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি আরও দুর্দান্ত। এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপে ব্রাজিলিয়ান ঢঙে জালে জড়িয়েছেন।

শেষ বাঁশি বাজার আগে পেনাল্টি পায় আবাহনী। স্পট কিক থেকে নেওয়া রাফায়েলের শট কিংস গোলকিপার আনিসুর ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে জড়িয়েছেন তিনি।

এই জয়ে ২১ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট হলো কিংসের। সমানসংখ্যক ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৪৪। লিগে দুই দলের ম্যাচ বাকি আছে আরও একটি করে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন