এর মধ্যে নিকোলা মিলেনকোভিচের হাঁটুর ট্যাকলটি ছিল কড়া। সেই ট্যাকলে ডান পা মচকে যায় নেইমারের। ব্রাজিল ২-০–তে এগিয়ে থাকার সময় কোচ তাঁকে তুলে নেওয়ার সময়ও চোটের তীব্রতা বোঝা যায়নি।

তবে বেঞ্চে বসে থাকার সময় টিম ট্রেনার কর্তৃক তাঁর ডান পায়ে আইস প্যাক লাগিয়ে রাখতে দেখা যায়। এ সময় ব্যথায় চোখ টলমল করছিল নেইমারের।

ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের লকার রুমে নেইমারকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। এ সময় তাঁকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল।

ব্রাজিল দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ডান পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়েছে নেইমার। সার্বিয়ান খেলোয়াড়ের হাঁটুর আঘাতের প্রভাবে সরাসরি আঘাত লেগেছে। তাৎক্ষণিকভাবে বেঞ্চেই আমরা চিকিৎসা শুরু করেছি। ফিজিও কাজ করছেন। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি বোঝা যাবে।’

আরও কিছু সময় অপেক্ষা করা ছাড়া নেইমারের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে এখনই মন্তব্য করতে রাজি নন লাসমার, ‘এমআরআই দরকার নেই। আগামীকাল (আজ) আরেকবার চোট পরিস্থিতি দেখা হবে। আমরা অপেক্ষা করছি, আগেভাগে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

ব্রাজিল কোচ তিতে অবশ্য নেইমারের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে আশাবাদী, ‘ও বিশ্বকাপে খেলতে পারবে, আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

নেইমারকে আরও আগেই তুলে নেওয়া যেত কি না প্রশ্নে ব্রাজিল কোচ বলেন, ‘আমি আগে বুঝি নাই। ওর ট্যাকল সামালের সামর্থ্যের কারণে আমি বিভ্রান্ত হয়েছিলাম।’

ব্রাজিলের পরের ম্যাচ সোমবার সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে।

চোটে আক্রান্ত নেইমার অবশ্য জয়ের পর দলকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন। লিখেছেন, ‘কঠিন ম্যাচ। তবে জয়টা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দলকে অভিনন্দন। প্রথম পদক্ষেপ শেষ, আর বাকি ৬ ম্যাচ।’

সেই ৬ ম্যাচে নেইমার খেলতে পারবেন তো?