default-image

লিভারপুলের বিপক্ষে ইউনাইটেডের তৃতীয় গোলটি ছিল অ্যান্থনি মার্শিয়ালের প্রেসিংয়ের ফল। প্রতিপক্ষের অর্ধে বলের দখল নিয়ে এক দৌড়ে গোল করে তবে থেমেছেন ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড। মাঝে এক মৌসুমে ধারে সেভিয়ায় খেলতে বাধ্য হওয়া মার্শিয়ালকে নতুন কোচের অধীন সম্পূর্ণ নতুন এক ফুটবলার মনে হচ্ছে। এ কথা গত মৌসুমে ছন্নছাড়া ফুটবল উপহার দেওয়া দলটির বাকি সব খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেই সত্যি।

টেন হাগ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর অধীন ভালো করতে হলে খুব বেশি কিছু করতে হবে না, শুধু প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার কাজটা ঠিকভাবে করলেই চলবে। ‘আমরা প্রেস করতে চাই, আমরা সারা দিন প্রেস করতে চাই এবং সক্রিয় ফুটবল খেলতে চাই। মাঝে মাঝে এটা ওপরেই (প্রতিপক্ষের অর্ধে) করতে পারব, কিন্তু যদি তা সম্ভব না হয়, আমরা দল হিসেবে সেটা বুঝে নিচে নেমে আসব। কিন্তু আমরা প্রেস করতে চাই এবং সারা দিন এটা করার ইচ্ছা থাকতে হবে।’

default-image

সেদিন ম্যাচের ৩৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের সময় লিভারপুলের রিস উইলিয়ামসকে ঘিরে ফেলেছিলেন মার্শিয়াল, ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও মার্কাস রাশফোর্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রেসিং ফুটবল খেলার চেষ্টাটা স্পষ্ট বোঝা গেছে। আক্রমণের ক্ষেত্রেও ইউনাইটেড ফুটবলারদের অনেক প্রাণবন্ত দেখা গেছে। টেন হাগ এটাই চাচ্ছেন, ‘দলের সব প্রান্তেই আমি ফল চাই। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খেলোয়াড়েরা বল পায়ে এবং বল ছাড়াও কিছু করার উদ্যোগ নেবে। আক্রমণে ও রক্ষণে চেষ্টা করবে।’

গত মৌসুমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ওপর অতিনির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল ইউনাইটেড। এর ফলও পাওয়া গেছে। টানা পঞ্চম বছর শিরোপাহীন থেকেছে ইউনাইটেড। রোনালদোর ১৮ গোলের পরও লিগে শীর্ষ চারে থাকতে পারেনি তারা। এই মৌসুমে সেই রোনালদোই ক্লাব ছাড়তে চাইছেন। টেন হাগ তাঁর দলকে কারও ওপর নির্ভর হয়ে খেলাতে চান না। বরং দলের তরুণ ফুটবলারদের সঠিকভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন।

default-image

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সাক্ষাৎকারেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, কীভাবে খেলাতে চান দলকে, ‘আমরা প্রতিপক্ষের অর্ধে খেলব, আমাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে। এটা ম্যান ইউনাইটেডের ফুটবল এবং ম্যান ইউনাইটেডের দর্শন ও পরিচয়ের ব্যাপার। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে। খেলার ধরনে কাঠামো আনতে হবে, যেন আমরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পারি।’

তবে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিতে টেন হাগের কাছে প্রেসিংই যে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, এটা পরিষ্কার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন