- ১১ গোলের ম্যাচে ছিল উত্তেজনাও
- বেশি গোল!
- বাংলাদেশ ২ : ৯ ইন্দোনেশিয়া (ফুল টাইম)
- এক মিনিটের মধ্যে দুই গোল ইন্দোনেশিয়ার
- মারামারি!
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোল
- ইন্দোনেশিয়ার গোল নম্বর ৭
- সুযোগ নষ্ট বাংলাদেশের
- অফসাইডে গোল বাতিল ইন্দোনেশিয়ার
- গোল দরকার ইন্দোনেশিয়ার
- মেহেদীর সেভ
- মিনহাজকে ফাউলে হলুদ কার্ড, ভিএআরের হস্তক্ষেপ
- গোলবিহীন ১৫ মিনিট
- দুই পরিবর্তন নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নেমেছে বাংলাদেশ
- বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া (হাফ টাইম)
- গোল নম্বর ৬!
- গোল নম্বর ৫!
- আবারও গোল ইন্দোনেশিয়ার
- অবশেষে বাংলাদেশের গোল
- ইন্দোনেশিয়া ৩ : ০ বাংলাদেশ
- সুযোগ নষ্টের পর উল্টো গোল হজম বাংলাদেশের
- ইন্দোনেশিয়ার গোল!
- গতিতে এগোনোর চেষ্টা বাংলাদেশের
- ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের অতীত কী বলে
- একাদশে এক পরিবর্তন
- বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে স্বাগত
১১ গোলের ম্যাচে ছিল উত্তেজনাও
বাংলাদেশ ২ : ৯ ইন্দোনেশিয়া
গোলের পর গোল, মারামারি, শেষ দিকে আচমকাই সময় বাড়িয়ে দেওয়া—জাকার্তায় বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া আসিয়ান কাপের ম্যাচে দেখা গেল অনেক কিছুই।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৬৪ ধাপ এগিয়ে থাকা ইন্দোনেশিয়া শুরু থেকেই ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে। তবে প্রথম গোল পেতে দলটিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১১ মিনিট পর্যন্ত, দ্বিতীয় গোল ২০ মিনিটে। ম্যাচের বয়স আধা ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর রীতিমতো গোলের স্রোত বইয়ে দিতে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া। প্রথমার্ধের শেষ ১৫ মিনিটের মধ্যে করে ৪ গোল। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধেই ৬ গোল করে স্বাগতিকেরা। বাংলাদেশ ইমনের সৌজন্যে একটি শোধ দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ইন্দোনেশিয়াকে বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখে বাংলাদেশ। অবশ্য গোল ব্যবধানের কারণে ততক্ষণে আসিয়ান কাপের ফাইনালে এক পা দিয়েও রেখেছে ইন্দোনেশিয়া। তবে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকা মালয়েশিয়া একই সময়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একের পর এক গোল করতে শুরু করলে ইন্দোনেশিয়া পিছিয়ে যায়।
গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় দলটি। আর সেটির ফল, ৯০ থেকে যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে দলটি। বাংলাদেশ এই অর্ধেও একটি গোল করেছে। তবে ইন্দোনেশিয়া ৯–২ গোলের বড় ব্যবধানে জিতে মালয়েশিয়াকে টপকে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলে।
ম্যাচে অবশ্য শুধু ১১ গোলই নয়, উত্তাপ দেখা গেছে খেলোয়াড়দের মারামারি আর রেফারির কর্মকাণ্ডেও। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে ধাক্কাধাক্কিতে জড়ান বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়েরা। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক হলুদ কার্ড দেখেছেন ইন্দোনেশিয়ার একজন।
আর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময় শুরুতে ২ মিনিট দেওয়া হলেও কিছুক্ষণ পর চতুর্থ রেফারি জানান, খেলা হবে ৭ মিনিট। মূলত ওই সময়েই ইন্দোনেশিয়া দুটি গোল করে ফাইনাল নিশ্চিত করে। একই সময়ে সিঙ্গাপুরকে ৬–০ গোলে হারিয়েও মালয়েশিয়া গ্রুপ শেষ করে দ্বিতীয় হিসেবে। দুই দলের পয়েন্টই ৭, গোল ব্যবধানও সমান ৯। তবে ইন্দোনেশিয়া দুটি গোল বেশি করায় শীর্ষে।
প্রথমবার আয়োজিত ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ আসর শেষ করল তিন ম্যাচে তিন হার দিয়ে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩ আর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একটিসহ টুর্নামেন্টে মোট ১৩ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। তবে প্রথম দুই ম্যাচে গোল না এলেও শেষ ম্যাচে হয়েছে দুটি (ইমন ও ফারহান)।
বেশি গোল!
বাংলাদেশ ফুটবল দল এর আগে তিনবার ম্যাচে ৯ গোল হজম করেছিল। প্রথমবার ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের কাছে। ম্যাচের ফল ছিল ৯–১। এরপর ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের বিপক্ষে বাংলাদেশ হেরেছিল ৯–০ গোলে। আজ অবশ্য ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোল হজম করলেও দুটি শোধ করেছে ডুলির দল।
বাংলাদেশ ২ : ৯ ইন্দোনেশিয়া (ফুল টাইম)
শেষ বাঁশি বাজালেন রেফারি। ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়েরা মেতে উঠলেন উদ্যাপনে। আসিয়ান কাপের ফাইনালে উঠে গেছে তারা।
অপর দিকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় মাঠ ছাড়লেন হামজা চৌধুরী। কোচিং স্টাফের সদস্যরা তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু হামজা স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ।
এক মিনিটের মধ্যে দুই গোল ইন্দোনেশিয়ার
বাংলাদেশ ২ : ৯ ইন্দোনেশিয়া
এক মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করল ইন্দোনেশিয়া।
দুই দলের খেলোয়াড়দের মারামারির মধ্যে চতুর্থ রেফারি জানান, যোগ করা সময় সাত মিনিট। আর সেই বর্ধিত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে কেভিন ডিকস, সপ্তম মিনিটে লি বেকার গোল করেছেন। ম্যাচে বেকারের পঞ্চম গোল এটি।
ক্যামেরায় বাংলাদেশ কোচ ডুলির বিধ্বস্ত মুখ। চোখে জল।
মারামারি!
বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলের খানিক পর মারামারিতে জড়িয়েছেন দুই দলের খেলোয়াড়েরা।
প্রথম সাদ উদ্দিনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান রমনি। এরপর ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের আরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোল
বাংলাদেশ ২ : ৭ ইন্দোনেশিয়া
নব্বই মিনিটের পর যোগ করা সময় দেওয়া হয়েছে দুই মিনিট। প্রথম মিনিটেই গোল করলেন ফারহান আলী। রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে পাওয়া বর দুর্দান্ত প্লেসমেন্টে জালে জড়িয়েছেন ফারহান।
ইন্দোনেশিয়ার গোল নম্বর ৭
বাংলাদেশ ১ : ৭ ইন্দোনেশিয়া
দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম গোলের দেখা পেল ইন্দোনেশিয়া। করেছেন লুক বিকারি। এই গোলে ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখল ইন্দোনেশিয়া।
সুযোগ নষ্ট বাংলাদেশের
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
৮৯তম মিনিটে সুযোগ নষ্ট করেছেন ফারহান। বক্সে ঢুকে বল মেরেছেন বারের ওপর দিয়ে।
অফসাইডে গোল বাতিল ইন্দোনেশিয়ার
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
৮৪ মিনিটে বল জালে পাঠিয়েছেন রমনি। তবে উদ্যাপনের কিছুক্ষণের মধ্যেই থামতে হয়েছে তাঁকে। অফসাইড!
গোল দরকার ইন্দোনেশিয়ার
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
৬–১ গোলে এগিয়ে থেকেও স্বস্তিতে নেই ইন্দোনেশিয়া। আসিয়ান কাপের ফাইনালে উঠতে হলে আরও একটি গোল করতে হবে তাদের।
‘এ’ গ্রুপের শীর্ষ দল ফাইনালে উঠবে। এই মুহূর্তে সেই দল মালয়েশিয়া। বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের সমান্তরালে চলছে মালয়েশিয়া–সিঙ্গাপুর ম্যাচ। মালয়েশিয়া এরই মধ্যে ৪–০ গোলে এগিয়ে। পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে ১ গোল ব্যবধানে। ইন্দোনেশিয়া আর কোনো গোল করতে না পারলে ফাইনালে উঠবে মালয়েশিয়া।
মেহেদীর সেভ
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
৭৫তম মিনিটে আরেকটি গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল ইন্দোনেশিয়া। ব্যাগোটের হেড প্রায় ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে প্রতিহত করেছেন গোলকিপার মেহেদী হাসান।
মিনহাজকে ফাউলে হলুদ কার্ড, ভিএআরের হস্তক্ষেপ
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
বল নিয়ে ছুটে যাওয়ার সময় মিনহাজের জার্সি টেনে সজোরে ফেলে দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার এলকান ব্যাগোট। রেফারি তাঁকে হলুদ কার্ড দেখান। তবে সম্ভাব্য লাল কার্ড ঘটনা কি না, বোঝার জন্য রেফারিকে মনিটরে রিপ্লে দেখতে বলেন ভিএআর।
রিপ্লে দেখে অবশ্য সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি। জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘নো রেড কার্ড’।
গোলবিহীন ১৫ মিনিট
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া
৬০ মিনিটের কাঁটা স্পর্শ করল ঘড়ি। স্কোরলাইন প্রথমার্ধ শেষে যা ছিল, তা–ই। অর্থাৎ, সর্বশেষ ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ কোনো গোল হজম করেনি। ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য গোল না খাওয়া সবচেয়ে দীর্ঘ সময় এটি।
দুই পরিবর্তন নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নেমেছে বাংলাদেশ
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুটি পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলি। সুকির জায়গায় ফারহান আর ইমনের জায়গায় মিনহাজ নেমেছেন মাঠে। প্রথমার্ধে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়ে গিয়েছিলেন শমিত সোম, তাঁর জায়গায় নেমেছেন সোহেল রানা।
বাংলাদেশ ১ : ৬ ইন্দোনেশিয়া (হাফ টাইম)
৪৫ মিনিট আগেও এমন কিছু বাংলাদেশের কল্পনায় থাকার কথা নয়। ইন্দোনেশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে। তাই বলে প্রথমার্ধেই ৬ গোল! অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়!
রেফারি বিরতির বাঁশি বাজানোর পর যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল বাংলাদেশ দল। সর্বশেষ ১৫ মিনিটের মধ্যেই চার গোল করেছে ইন্দোনেশিয়া। অবশ্য এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ এক গোল শোধও দিতে পেরেছে।
তবে বিরতিতে ম্যাচের স্কোরলাইনটা বাংলাদেশের জন্য ভীষণ অস্বস্তিকর।
গোল নম্বর ৬!
ইন্দোনেশিয়ার গোল উৎসব চলছেই। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ইন্দোনেশিয়া করল ষষ্ঠ গোল। গোলকিপার মেহেদীর সেভের পর কর্নার পেয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। সেই কর্নার থেকে আসা বলে হেডে গোল করেছেন জাস্টিন হাবনার।
গোল নম্বর ৫!
বাংলাদেশ ১ : ৫ ইন্দোনেশিয়া
আবারও ইন্দোনেশিয়ার গোল। ৪২ মিনিটে ৫–১!
এই গোলটিও লি বেকারের। করেছেন হেডে। বাংলাদেশের রক্ষণে রীতিমতো ত্রাসের সৃষ্টি করেছে ইন্দোনেশিয়া। যেন গোলের নেশায় পেয়েছে স্বাগতিকদের।
আবারও গোল ইন্দোনেশিয়ার
বাংলাদেশ ১ : ৪ ইন্দোনেশিয়া
গোল করার পর এক মিনিটও স্বস্তিতে থাকতে পারল না বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়া করে ফেলল চতুর্থ গোল। ৩৭তম মিনিটের গোলটি অনেকটা প্রথমটির মতোই। রমনির কাট ব্যাক থেকে পাওয়া বলে বেকারের গোল।
হ্যাটট্রিক হয়ে গেছে বেকারের।
অবশেষে বাংলাদেশের গোল
বাংলাদেশ ১ : ৩ ইন্দোনেশিয়া
৩৬তম মিনিটে গোল পেল বাংলাদেশ। শুধু এই ম্যাচেরই নয়, এবারের ফিফা আসিয়ান কাপেই বাংলাদেশের প্রথম গোল। করেছেন শাহরিয়ান ইমন।
বাঁ দিক থেকে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকেছেন সুকি। একেবারে বাইলাইনের কাছে গিয়ে নিচু ক্রস করেছেন গোলমুখে, প্রায় ফাঁকায় থাকা ইমন সামনে ঝাঁপিয়ে হেডে বল জালে পাঠিয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়া ৩ : ০ বাংলাদেশ
ম্যাচের প্রথম আধা ঘণ্টার কাঁটা কেবল পেরিয়েছে। বাংলাদেশ হজম করে ফেলল তৃতীয় গোলও।
৩১তম মিনিটে ইন্দোনেশিয়াকে তৃতীয় গোল এনে দিয়েছেন রিজকি রিদো।
সুযোগ নষ্টের পর উল্টো গোল হজম বাংলাদেশের
বাংলাদেশ ০ : ২ ইন্দোনেশিয়া
মনে হচ্ছিল সমতা হয়তো এনেই ফেলবে বাংলাদেশ। শাহরিয়ার ইমন বাঁ দিক দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে বল বাড়িয়েছিলেন ইন্দোনেশিয়ার বক্সে। দৌড়ে ভেতরে ঢোকা শমিত সোম অল্পের জন্য বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ইন্দোনেশিয়ার ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে মাঝমাঠে পাঠান।
সেই বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় গোল পেয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়া। প্রথম শট প্রতিহতই করেছেন বাংলাদেশ গোলকিপার। আবারও গোলমুখে ফিরলে ব্লক করেন জায়ান আহমেদ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। জটলার মধ্য থেকে বল জালে পাঠিয়েছেন বেকার। ২০ মিনিটে দুই গোল হয়ে গেল ইন্দোনেশিয়ার। দুটি গোলই যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএল লিগ টুতে খেলা ফরোয়ার্ড বেকারের।
ইন্দোনেশিয়ার গোল!
বাংলাদেশ ০ : ১ ইন্দোনেশিয়া
ম্যাচের ১১তম মিনিটেই গোল পেয়ে গেল ইন্দোনেশিয়া। ওলে রমনির ব্যাক পাস থেকে পাওয়া বল প্রথম স্পর্শেই জালে পাঠিয়েছেন মিচেল লি বেকার। বাংলাদেশ গোলকিপার মেহেদী ঝাঁপিয়ে হাতই লাগাতে পেরেছেন শুধু।
গতিতে এগোনোর চেষ্টা বাংলাদেশের
বাংলাদেশ ০ : ০ ইন্দোনেশিয়া
ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটে বল বেশি দখলে রেখেছে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশ গতিতে ভর করে দ্রুত আক্রমণে ওঠার চেস্টা করেছে। অবশ্য এখন পর্যন্ত কোনো দলই বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের অতীত কী বলে
দুই দল এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে সাতবার। বাংলাদেশের জয় মাত্র একটি, সেটিও ১৯৮৫ সালের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে।
ইন্দোনেশিয়া জিতেছে চার ম্যাচে, বাকি দুটিতে ড্র।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের পার্থক্য কম নয়। বাংলাদেশ ১৮২ নম্বরে, ইন্দোনেশিয়া ১১৭।
একাদশে এক পরিবর্তন
সিঙ্গাপুর ম্যাচের দল থেকে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলি। শেখ মোরছালিনের জায়গায় ফরোয়ার্ডে জায়গা পেয়েছেন শাহরিয়ার ইমন।
মেহেদী হাসান (গোলকিপার), সাদ উদ্দিন, জিদান ইউসুফ, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, জামাল ভূঁইয়া, রাকিব হোসেন, সুকি ইতোফুসা ও শাহরিয়ার ইমন।
বাংলাদেশ–ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে স্বাগত
ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের আর পাওয়ার কিছু নেই, হারানোরও নেই! তিন ম্যাচের দুটিতে হেরে আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে হামজা–জামালদের।
এবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি টমাস ডুলির দল। জাকার্তার গেলোরা বুং কর্ন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচের লাইভ ব্লগে আপনাদের স্বাগত।