সস্তা ফ্লাইটে মাদ্রিদে গেলেন রদ্রি, বিমান সংস্থা খোঁচা দিল আর্জেন্টিনাকে
লিভারপুল বিমানবন্দরের গেটে দাঁড়ানো যাত্রীদের কাতারে হঠাৎই একটা ফিসফাস—‘ওই তো, রদ্রি না?’ মাথায় ক্যাপ, চোখে সানগ্লাস, হাতে ছোট্ট একটা স্যুটকেস—তাতে খোদাই করা নাম, স্পেনের পতাকা, আর জার্সি নম্বর। বিশ্বকাপজয়ী স্পেন অধিনায়ক কিনা আজ মাদ্রিদ থেকে লিভারপুলে গেলেন বাজেট এয়ারলাইনস রায়ানএয়ারের সাধারণ ফ্লাইটে!
ম্যানচেস্টার সিটির বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার ছুটি কাটিয়ে ক্লাবে ফেরার পথে বেছে নিলেন সেই বিমান সংস্থা, যাদের নামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে ‘কম খরচ, বেশি ঝামেলার’ বদনাম। বিবিসি রেডিও ম্যানচেস্টারের উপস্থাপক এমিলি ব্রবিন সেই ফ্লাইটেই ছিলেন—রদ্রি কীভাবে তাঁদের রায়ানএয়ার ফ্লাইটে উঠলেন, সেটাই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না তাঁর। দলবদল খবরের জন্য আলোচিত সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানোও খবরটা ছবিসহ জানিয়ে লিখেছেন, বার্সেলোনার সঙ্গে আলোচনা চলার মধ্যেই রদ্রি মাদ্রিদ থেকে ম্যানচেস্টারে ফিরছেন রায়ানএয়ারের ফ্লাইটে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও এসেছে ঢেউয়ের মতো। কেউ লিখেছেন, এত বড় তারকা প্রাইভেট জেটে না চড়ে সাধারণ ফ্লাইটে চড়াটাই তো আসল ‘ক্লাস’। কেউ আবার রসিকতা করে বলেছেন, বার্সেলোনা যেখানে তাঁর জন্য কোটি কোটি ইউরো নিয়ে দর–কষাকষি করছে, সেখানে তিনি নিজে বিমানভাড়া বাঁচাচ্ছেন—এটাই ফুটবলের আসল অর্থনীতি।
রায়ানএয়ার এমন এক এয়ারলাইনস, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার জন্য রীতিমতো কুখ্যাত। যাত্রীদের অভিযোগের জবাবেও তারা মজা করতে ছাড়ে না। সেলেনা গোমেজ থেকে শুরু করে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ পর্যন্ত, কাউকেই ছাড় দেয়নি তারা। রদ্রির ছবি নিজেদের এক্স অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে বিমান সংস্থাটি লিখেছে, ‘আমরা শুধু চ্যাম্পিয়নদের বহন করি।’ সেই পোস্টেই আবার ট্যাগ করেছে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলকে। খোঁচাটা বুঝতে পারছেন নিশ্চয়!