হাইতির বিশ্বকাপ দলের অর্ধেকের বেশিই প্রবাসী
বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে হাইতি। ১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা দেশটির হয়ে যারা বিশ্ব আসরে খেলবেন, তাঁদের অর্ধেকের বেশিরই জন্ম ফ্রান্সে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়ও আছেন।
শুধু তা–ই নয়, হাইতির বিশ্বকাপ দলে থাকা ২৫ খেলোয়াড়ই বাইরে খেলেন। হাইতির ক্লাবে খেলা ফুটবলার মাত্র একজন।
হাইতি কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে বিশ্বকাপের জন্য যে দলটি ঘোষণা করেছেন, সেটির খেলোয়াড় তালিকা ঘেটে দেখা গেছে দেশটিতে জন্ম মাত্র ১০ জনের। উইকিপিডিয়া বলছে, বাকি ১৬ জনের ১২ জনই ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মেছেন দুজন, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডে একজন করে। মূলত বাবা–মা অথবা দাদা–দাদির সূত্রে তাঁরা হাইতির নাগরিকত্ব নিয়েছেন। এদের প্রায় সবার হাইতির হয়ে অভিষেক হয়েছে আগেই।
ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন লেখা খেলোয়াড়দের ভিড়ে দলে হাইতির ক্লাবের খেলা একমাত্র খেলোয়াড় উডনস্কি পিয়েরে। ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার খেলেন হাইতির ক্লাব ভায়োলেট এসিতে। বিশ্বকাপ দলে হাইতির সবচেয়ে বড় নাম প্রিমিয়ার লিগের সান্দারল্যান্ডে খেলা ফরোয়ার্ড উইলসন ইসিদোর, উল্ভসের মিডফিল্ডার জঁ-রিকনার বেলেগার্ড ও সুইজারল্যান্ডের ইয়ং বয়েজে খেলা ডিফেন্ডার কিটো থার্মনসি।
এবারের বিশ্বকাপে হাইতি খেলবে ‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিল, মরক্কো ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। প্রথম ম্যাচ ১৩ জুন স্কটিশদের বিপক্ষে।
হাইতি বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: জনি প্লাসিড, আলেকজান্ডার পিয়ের, জসুয়া দুভার্জার।।
ডিফেন্ডার: কার্লেন্স আরকুস, উইলগেনস পগেইঁ, ডিউক ল্যাক্রোইক্স, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, জঁ-কেভিন দুভার্ন, রিকার্দো আদে, হানেস ডেলক্রোয়ার্স, কিটো থার্মনসি।
মিডফিল্ডার: লেভারটন পিয়ের, কার্ল-ফ্রেড সেন্টে, ড্যানলি জিন-জ্যাকস, জঁ-রিকনার বেলেগার্ড, উডেন্সকি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন।
ফরোয়ার্ড: লুইসিয়াস ডিডসন, রুবেন প্রভিডেন্স, জসুয়া ক্যাসিমির, ডেরিক এতিয়েন, উইলসন ইসিদোর, ডুকেন্স নাজোন, ফ্রান্টজডি পিয়েরো, ইয়াসিন ফরচুন, লেনি জোসেফ।