পরের মিনিটে অবশ্য সুযোগ এসেছিল ক্রোয়েশিয়ার সামনে। সেলিম আমাল্লাহ বল হারালে ফাঁকা জায়গা পান পেরিসিচ। তবে সে সুযোগ কাজে লাগেনি। এরপর গোলের দারুণ এক সুযোগ পায় মরক্কো। তবে জিয়েশের ক্রসে গোলের সুযোগ হেলায় নষ্ট করেন ইউসেফ এন-নেসরি। আর ক্রোয়েশিয়ার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। তবে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর নৈপুণ্যে সে যাত্রায় বেঁচে যায় উত্তর আফ্রিকার দেশটি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একইভাবে জমে ওঠে ম্যাচ। এই অর্ধের শুরুতে খেলার গতি বাড়ায় ক্রোয়েশিয়া। ৫১ মিনিটে সোফিয়া বুফালের দূরপাল্লার শট ঠেকান দেয়ান লোভরেন। মরক্কো অবশ্য পেনাল্টির আবেদন করে, তবে তাতে রেফারি সাড়া দেননি। একই আক্রমণে কাছের পোস্টে হেড করছিলেন নুসাইর মাজরাউয়ি। তবে তাঁকে নিরাশ করেন ক্রোয়াট গোলরক্ষক লিভাকোভিচ।

এরপর কর্নার থেকে গোলের সুযোগ পেলেও ইয়াসিনন বুনোনোর দারুণ প্রচেষ্টায় বঞ্চিত থাকতে হয় ক্রোয়েশিয়াকে। পরের মুহূর্তে বর্তমান রানার্সআপদের আরেকটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন রোমেইন সাইস। এর মাঝে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাজরাউয়ি।

ম্যাচের এ পর্যায়ে মরক্কোর হাই প্রেসিং ফুটবল সামলাতে ফের বেগ পেতে হচ্ছিল ক্রোয়েশিয়াকে। ক্রোয়াটদের চাপে ফেলে কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল মরক্কো। ৬৪ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে জিয়েশের বুলেট গতির শট কোনোরকমে ফেরান লিভাকোভিচ।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে দুই দলই চেষ্টা করছিল গোল আদায়ের। তবে হার না মানা ডিফেন্ডিংয়ে প্রতিপক্ষকে এগিয়ে যেতে দিচ্ছিল না কোনো দলই। শেষ পর্যন্ত কেউ কারও ডিফেন্স ভাঙতে না পারলে ড্র মেনেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।