চোটে পড়ে বড় টুর্নামেন্ট মিস করার কষ্টটা ফন ডাইকের চেয়ে আর কে ভালো বোঝেন! ২০২০ সালে প্রিমিয়ার লিগের শুরুতেই বাজে চোটে ছিটকে পড়েছিলেন ডাচ তারকা। সে কারণে ২০২১ সালের ইউরোয় নেদারল্যান্ডসের জার্সি গায়ে চড়াতে পারেননি। ৩১ বছর বয়সে এই প্রথম তাঁর বিশ্বকাপ খেলা।

২০১৮ বিশ্বকাপে যে নেদারল্যান্ডস কোয়ালিফাই-ই করতে পারেনি। সোমবার নেদারল্যান্ডস-সেনেগাল ম্যাচের আগে তিনি কথা বলেছেন বন্ধু ও একসময়ের সতীর্থ মানেকে নিয়ে।
ফন ডাইক বিশ্বকাপে মানের সঙ্গে মাঠে দেখা হওয়ার আপাতত সম্ভাবনা দেখছেন না, ‘আমার মনে হয় না মানে খেলতে পারবে। আমার ওর জন্য খারাপ লাগছে। ভীষণ খারাপ লাগছে। আমি গত বছর ইউরো খেলতে পারিনি চোটের কারণে। আমি বুঝি ওর কেমন লাগছে।’

বড় আসরের আগে চোট কীভাবে খেলোয়াড়ের স্বপ্ন শেষ করে দেয়, সেটিও বলেছেন ফন ডাইক, ‘আমরা খেলোয়াড়েরা যেকোনো বড় আসরে খেলার জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নিই। মানে তার দেশের অনেক বড় স্বপ্নের ধারক। দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে-ই বিশ্বকাপের আগে চোটে পড়ে গেল। সে সাহস নিয়ে খেলার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু আমি জানি, এটা কতটা কঠিন কাজ। আমি তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’

ফন ডাইক নিজের প্রথম বিশ্বকাপ নিয়ে রোমাঞ্চিত। ছোটবেলা থেকেই নেদারল্যান্ডসের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন এবার পূরণ হতে চলেছে। কাতার বিশ্বকাপ কেবল তাঁর প্রথম বিশ্ব আসরই নয়, প্রথম বড় টুর্নামেন্টই। ২০১৬ সালে ইউরোতে কোয়ালিফাই করতে পারেনি নেদারল্যান্ডস, ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ।

ফন ডাইক আনন্দিত অপেক্ষা শেষ হতে যাওয়ায়, ‘আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত। বিশ্বকাপে দুনিয়ার সেরা ফুটবলারদের সঙ্গে খেলব। বিশ্বকাপে দেশকে নেতৃত্ব দেব। এর চেয়ে দুর্দান্ত কিছু আর কি হতে পারে? বিশ্বকাপে খেলা আমার ছোটবেলার স্বপ্ন।’

৩১ বছর বয়সে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে ভাবছেন না ফন ডাইক, ‘আমার বয়স ৩১। কিন্তু বয়স বিশ্বকাপ নিয়ে আমার উপভোগের মন্ত্র একটুও বদলে দিতে পারেনি। আমি তো মনে করি বয়সটা বিশ্বকাপের জন্য বরং ভালোই হয়েছে। আমি এখন অনেক বেশি অভিজ্ঞ। আমি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে মুখিয়ে আছি।’