রিয়ালকে হারিয়ে সুপার কাপ থেকে কত টাকা পেয়েছে বার্সেলোনা
সৌদি আরবে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে রেকর্ড ১৬তম শিরোপা জিতেছে বার্সেলোনা। ফাইনালে রিয়ালের বিপক্ষে বার্সা জিতেছে ৩–২ গোলে। এ নিয়ে টানা দুই বছর বার্সার কাছে ফাইনালে হারল রিয়াল।
পাশাপাশি এটি নতুন মৌসুমে বার্সার প্রথম শিরোপা জয়ও বটে। স্প্যানিশ সুপার কাপের এই শিরোপা জিতে স্মারক হিসেবে ট্রফি জেতার পাশাপাশি বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও পেয়েছে বার্সা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও এএস জানিয়েছে, স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এবার ক্লাবগুলোর জন্য পুরস্কারের অঙ্ক বাড়িয়েছে। গত মৌসুমে মোট পুরস্কার ছিল প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ইউরো, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৩ লাখ ইউরোতে। শিরোপা জয়ের ইতিহাস, আন্তর্জাতিক সাফল্য ও পারফরম্যান্স বোনাস—সব মিলিয়ে এই অর্থ বণ্টন করা হয়।
শুরুটা ভ্রমণ ভাতা দিয়ে
প্রথম ধাপে চার অংশগ্রহণকারী দলকে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ ইউরো ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছে। গত মৌসুমে এই অঙ্ক ছিল মোট ১ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার ইউরো। যার মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ পেয়েছিল ৬১ লাখ ৫০ হাজার ইউরো, বার্সেলোনা ৬০ লাখ, অ্যাথলেটিক ক্লাব ২০ লাখ আর মায়োর্কা ৮ লাখ ৫০ হাজার ইউরো। এবার বণ্টন কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ হলেও বড় অংশ আবারও গেছে রিয়াল ও বার্সেলোনার ঝুলিতেই।
বাড়তি পুরস্কার, তুলনামূলক সমবণ্টন
এবার পুরস্কার বাবদ রাখা হয়েছে ৫০ লাখ ইউরো, যা গত মৌসুমে ছিল ৪০ লাখ। আগের আসরে সেমিফাইনাল জিতে রিয়াল ও বার্সা পেয়েছিল ১০ লাখ ইউরো করে, আর ফাইনাল জিতে বার্সা পেয়েছিল আরও ২০ লাখ ইউরো। রানার্সআপ ও সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দলের জন্য কিছু ছিল না।
এবার সব দলের জন্য কিছু না কিছু রাখা হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বার্সেলোনা এবারও পেয়েছে ২০ লাখ ইউরো। রানার্সআপ রিয়াল মাদ্রিদ পেয়েছে ১৪ লাখ ইউরো। সেমিফাইনালে হারা আতলেতিকো মাদ্রিদ ও অ্যাথলেটিক বিলবাও পেয়েছে ৮ লাখ ইউরো করে।
মিলিয়ন ইউরো আয়
তবে অর্থের এই অঙ্কগুলো শুধু অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য প্রযোজ্য। সব মিলিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ থেকে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) আয় করেছে প্রায় ৫ কোটি ১০ লাখ ইউরো। স্পনসরশিপ, সম্প্রচারস্বত্ব এবং সৌদি আরবের সঙ্গে আরএফইএফের ৪ কোটি ইউরোর চুক্তি—এই তিন উৎস থেকেই মূলত এই রাজস্ব আসে। যার বড় অংশই ব্যয় করা হবে ফুটবলের উন্নয়নে, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে। মোট অর্থের মধ্যে ২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো বরাদ্দ রাখা হয়েছে উন্নয়ন খাতে।