তবে এই ম্যাচ গানারদের জন্য একটু বিশেষই ছিল। কয়েক দিন আগেই ইতালির একটি শপিং মলে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার পাবলো মারি। এই ডিফেন্ডারের প্রতি সম্মান জানিয়েই এদিন মাঠে নেমেছিল গানাররা। তাঁর প্রতি সম্মান জানানোর ম্যাচে দারুণ কিছু করার লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিল আর্সেনাল।

মাঠের খেলাতেও শুরু থেকেই দাপুটে ছিল আর্সেনাল। এমিরেটসে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোল খেয়ে বসে নটিংহাম। প্রতিপক্ষের অ্যাটাকিং থার্ডে শুরু থেকেই প্রেস করে খেলতে থাকে আর্সেনাল। মিকেল আরতেতার দলের প্রেসিংয়ে দ্রুত কোণঠাসা হয়ে পড়ে নটিংহাম।

বুকায়ো সাকার পাস থেকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি যখন নটিংহামের জালে বল পাঠান, ম্যাচের বয়স ৫ মিনিট। ২০ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ ছিল আর্সেনালের সামনে। প্রথম গোলে সহায়তা করা সাকাই সুযোগ নষ্ট করেন। সাকার ভাগ্য এদিন বেশ খারাপই ছিল বলতে হয়। অ্যাঙ্কেলের চোটে ২৭ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় এই ফুটবলারকে।  প্রথমার্ধের পুরোটা সময়জুড়েই প্রেসিং ফুটবলে দাপট দেখায় আর্সেনাল। ৭২ শতাংশ বল দখলে রেখেও যদিও একটির বেশি গোল পায়নি তারা।


বিরতি থেকেই ফিরে আর্সেনাল আর সময় নষ্ট করেনি। দ্বিতীয়ার্ধের ৮ মিনিটের মধ্যে তারা আরও ২ গোল করে। ২টি গোলই করেন রেইস নেলসন। ৩-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণ থামায়নি আর্সেনাল। টমাস পার্টি সেই ব্যবধান ৪-০ তে নিয়ে যান। ৭৮ মিনিটে নটিংহামের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন মার্টিন ওডেগার্ড। দুর্দান্ত এ জয়ের পর ১২ ম্যাচে শীর্ষে ওঠা আর্সেনালের পয়েন্ট ৩১।