বিবিসি জানিয়েছে, গত জুন পর্যন্ত আর্থিক বছরের হিসেব করে এই তথ্য জানিয়েছে ইউনাইটেড। গত বছরের তুলনায় এবার লোকসান বেড়েছে ২ কোটি ৩৩ লাখ পাউন্ড। বেড়েছে ঋণের পরিমাণও। গত বছর ক্লাবটির ঋণ ছিল ৪১ কোটি ৯৫ লাখ পাউন্ড। এই ঋণের পরিমাণ ২২ শতাংশ বেড়ে এবার দাঁড়িয়েছে ৫১ কোটি ৪৯ লাখ পাউন্ডে।

সংবাদ সংস্থা এএফপি এ নিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সবচেয়ে সফল ক্লাবটির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা ক্লিফ বেটির উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে, ‘২০২২ সালে আমাদের আর্থিক হিসেবে (করোনা) মহামারি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতিফলন ঘটেছে। আমরা দর্শকদের কাছে ফিরেছি এবং স্কোয়াডে বিনিয়োগ বাড়ানোয় নতুন বাণিজ্যিক অভিযাত্রাও শুরু হয়েছে। তবে ২০২১ সালের জুলাইয়ে আমরা গ্রীষ্মকালীন সফরে যেতে পারিনি, এর প্রতিফলনও ঘটেছে আর্থিক হিসেবে।’

এই লোকসানের মধ্যেই নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন ইউনাইটেডের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড আর্নল্ড, ‘ফুটবল ম্যাচ জেতা ও দর্শকদের আনন্দ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

গত মৌসুমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, জেডন সানচো ও রাফায়েল ভারানদের দলে ভেড়ায় ইউনাইটেড। এতে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক দেওয়ার হার ১৯.১ শতাংশ বেড়ে ৬ কোটি ১৬ লাখ পাউন্ড থেকে ৩৮ কোটি ৪২ লাখ পাউন্ডে ঠেকেছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে খেলোয়াড়দের বেতনে আর কোনো ক্লাবই এত টাকা খরচ করেনি। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ম্যানচেস্টারেরই অন্য ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির (৩৫ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড)।

গত মৌসুমে লিগে ষষ্ঠ স্থানে ছিল ইউনাইটেড। ১৯৯২ সালে প্রিমিয়ার লিগ চালুর পর গতবারই সবচেয়ে কম পয়েন্ট পেয়েছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটি। জায়গা করে নিতে পারেনি চ্যাম্পিয়নস লিগেও। নেমে যায় ইউরোপা লিগে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন