নেইমারের ২৬ বনাম মেসি-রোনালদোর ২৬

>
- সোমবার ২৬তম জন্মদিন উদ্যাপন করলেন নেইমার।
- ২৬ বছর বয়সে কিছু জায়গায় মেসি-রোনালদোর চেয়েও এগিয়ে নেইমার।
- ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মেসি ও রোনালদোর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন নেইমার।
এই তো গত পরশু ২৬তম জন্মদিনটা উদ্যাপন করলেন নেইমার। একই দিনে জন্মদিন উদ্যাপন করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জন্মদিন একই দিনে হলেও দুজনের বয়সের ব্যবধান সাত। নেইমার উদ্যাপন করলেন ২৬তম আর রোনালদো ৩৩।
লিওনেল মেসির জন্মদিনের দেরি আছে—সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রাশিয়ায় জুনে যখন বিশ্বকাপ চলবে, তখন মেসি তাঁর ৩১তম জন্মদিনের কেক কাটবেন। বয়সে বিস্তর ব্যবধান থাকলেও মেসি-রোনালদোদের সঙ্গেই নেইমারের নাম উচ্চারিত হয়—এটা ব্রাজিলের তারকার বড় অর্জন। কেবল তা-ই নয়, ২৬ বছর বয়সেই বেশ কিছু জায়গায় নেইমার কিন্তু এগিয়ে আছেন পর্তুগিজ ও আর্জেন্টাইন তারকার চেয়েও।
২৬ বছর বয়সেই নেইমার মেসি-রোনালদোর চেয়েও দেশ ও ক্লাবের চেয়ে বেশিবার মাঠে নেমেছেন। দেশের হয়ে নেইমার নেমেছেন ৮৩ বার, ক্লাবের হয়ে (সান্তোস, বার্সেলোনা ও পিএসজি মিলিয়ে) ৪৩৭ বার। যেখানে ২৬ বছর বয়সে মেসি দেশের হয়ে ৮২ আর ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ৩৮০ বার। রোনালদো অবশ্য তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে। ২৬-এ তিনি দেশের হয়ে ৭৯ আর ক্লাবের হয়ে নেমেছিলেন ৩৯৩ বার।
দেশের হয়ে গোলেও নেইমার এগিয়ে আছেন দুই মহাতারকার চেয়ে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে এরই মধ্যে নেইমারের গোলসংখ্যা ৫৩—ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের মধ্যে এরই মধ্যে নিজের নাম তুলে ফেলেছেন নেইমার। পেলে, রোনালদো ও রোমারিওর পর নেইমার ব্রাজিলের চতুর্থ সেরা গোলদাতা। এই বয়সে মেসির গোল ছিল ৩৫টি। আর পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতার ২৬ বছরে ছিল ২৫ গোল।
এ বছরের শেষে নেইমার নিজেকে রোনালদো কিংবা মেসির চেয়ে আরও এগিয়ে নিতে পারেন। জুনে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ। এবার ব্রাজিলের হয়ে কাপ জিততে পারলে তিনি শ্রেষ্ঠত্বের নতুন অধ্যায়ই রচনা করবেন। নেইমার কি পারবেন?