প্রথম লেগ আর কাভানিই ফাইনালে তুলল ইউনাইটেডকে

কাভানিরই বড় অবদান ইউনাইটেডের ফাইনাল অভিযাত্রায়।ছবি: রয়টার্স

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কোচ ওলে গুনার সুলশারের জন্য বড় পাওয়াই এটি। কোচ হিসেবে এই প্রথমবারের মতো কোনো ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ফাইনালে থাকছেন তিনি। তাঁর দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগেই কাজ অনেকটা এগিয়ে রেখেছিল। আজ রোমের দ্বিতীয় লেগে এএস রোমার ‘ওলট–পালট’ ঠেকিয়ে রাখাটাই জরুরি ছিল। আজ ৩–২ গোলে হারের পরেও ফাইনালটা ঠিকই নিশ্চিত করেছে তারা। প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে ৬–২ গোলের বড় জয়েই মূলত কেল্লা ফতে সুলশারের দলের।

গোল, পাল্টা গোলে জমে উঠেছিল ম্যাচটি।
ছবি: রয়টার্স

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রথম লেগের বড় জয়টা পেয়েছিল উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড এডিনসন কাভানির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। আজও কাভানি খুব ভালো করেই থাকলেন স্কোরশিটে। ৩৯ মিনিটে তাঁর গোলেই এগিয়ে গিয়েছিল ইউনাইটেড। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে রোমা। তিন মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করে রোমা অঘটনের ইঙ্গিতই দিচ্ছিল। এডেন জেকো আর ব্রায়ান ক্রিসতান্তের দুই গোল রোমাকে বড় কিছুর স্বপ্ন দেখালেও কাভানির গোলেই বিপদ কিছুটা কাটায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (২–২)। তবে ইউনাইটেডকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে তাদের গোলকিপার ডেভিড ডি গিয়াকে। তিনিই মূলত এ অর্ধে উজ্জীবিত রোমার সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান।

প্রথম লেগের মতো দ্বিতীয় লেগেও দুর্দান্ত কাভানি।
ছবি: রয়টার্স

রোমা জয়সূচক গোলটি পায় অ্যালেক্স টেলেক্সের গোলে। ১৯ বছর বয়সী অভিষিক্ত নিকোলা জালেভস্কির শট টেলেক্সের শরীরে লেগে দিক পরিবর্তন করে বোকা বানায় ডি গিয়াকে। জয় তুলে নিলেও রোমা মাঠ ছাড়ে মাথা নিচু করেই। প্রথম লেগটা যে বড্ড বাজে খেলে হেরেছিল তারা।