লিওনেল মেসি বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে পারছেন না। গতকাল কাতালান ক্লাবটিই বিবৃতি দিয়ে সেটি জানিয়ে দিয়েছে। নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি আর পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটিই আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে।
পাশাপাশি ঠারেঠোরে শোনা যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল, ইন্টার মিলান, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাস আর যুক্তরাষ্ট্রে ডেভিড বেকহামের মালিকানাধীন ইন্টার মায়ামির নামও।
বার্সার সঙ্গে গত ৩০ জুনই চুক্তি শেষ হয়ে গেছে মেসির। ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে কিনতে এখন কোনো ক্লাবের দলবদলে খরচ হবে না ঠিকই। তবে এমন বড় তারকাদের ‘ফ্রি ট্রান্সফারের’ ক্ষেত্রে সাধারণত ক্লাবে যোগ দেওয়ার পুরস্কারের মতো করে ‘সাইনিং-অন বোনাস’ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তর্কসাপেক্ষে বিশ্বের সেরা ফুটবলারের বেতনও তেমনই হবে। যে কোনো ক্লাবই তাই চাইলেই মেসিকে পাওয়ার দৌড়ে নামতে পারছে না।
যে কারণে আবুধাবির তেলে ধন্য ম্যানচেস্টার সিটি আর কাতারের আমিরের আশীর্বাদপুষ্ট পিএসজির নামই সব সময় দৌড়ে এগিয়ে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে এখনই যাওয়া মেসির জন্য একটু আগেভাগে হয়ে যায়। ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে আরও কিছুদিন খেলতে চান মেসি।
সে ক্ষেত্রে শুধু ম্যান সিটি কিংবা পিএসজিই মেসিকে পাওয়ার দৌড়ে থাকবে?
শেষ দিকে এসে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি, লিভারপুল, জুভেন্টাস, ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবও চমক দেখিয়ে মেসিকে টেনে নিতে পারবে? মেসিকে পাওয়ার চেষ্টায় অনেকবার হতাশ হওয়া রিয়াল মাদ্রিদও এবার আবার চেষ্টা করবে?
নাকি নাটকে ১৮০ ডিগ্রি চমক দেখিয়ে বার্সাই আবার তাঁকে সই করাবে? ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়কে এখনই বিদায় জানিয়ে ইন্টার মায়ামিতে যাবেন মেসি?
পাঠক, আপনার কী মনে হয়, শেষ পর্যন্ত কোথায় যাবেন মেসি? মতামত জানিয়ে দিন পোলে অংশ নিয়ে।